নাদিম হায়দার, স্টাফ রিপোর্টার ||
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আলোচিত বাবা-মেয়ে(গোলাপ হোসেন, ৬ বছরের মেয়ে তওবা) হত্যা মামলার আসামি মো. সোহরাব হোসেনের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী ও তাঁর সাবেক শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার বালুচর বাজার চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাঁরা অবশ্যই এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চান। তবে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক সোহরাব হোসেন অত্যন্ত বিনয়ী ও ভালো মানুষ। তিনি এবং তাঁর পরিবার এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন না বলে তাঁদের বিশ্বাস। বক্তারা আরও বলেন, নিহত গোলাপ হোসেন মৃত্যুর আগে দেওয়া ভিডিও বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন, তিনি কাউকে চিনতে পারেননি। তাঁদের দাবি, ষড়যন্ত্র করে হত্যার ঘটনাটি কে ব্যাবহার করে সোহরাব হোসেনকে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। এ সময় বক্তারা সোহরাব হোসেনের অবিলম্বে মুক্তি এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন -জাহাঙ্গীর মোল্লা রনি দেওয়ান, শেখ আরিফ হোসেন, নাজমুল হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, রফিক শেখ, জাহিদুল ইসলাম বেপারী, পারুল বেগমসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আলোচিত বাবা-মেয়ে(গোলাপ হোসেন, ৬ বছরের মেয়ে তওবা) হত্যা মামলার আসামি মো. সোহরাব হোসেনের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী ও তাঁর সাবেক শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার বালুচর বাজার চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থী অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাঁরা অবশ্যই এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চান। তবে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক সোহরাব হোসেন অত্যন্ত বিনয়ী ও ভালো মানুষ। তিনি এবং তাঁর পরিবার এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন না বলে তাঁদের বিশ্বাস। বক্তারা আরও বলেন, নিহত গোলাপ হোসেন মৃত্যুর আগে দেওয়া ভিডিও বক্তব্যে উল্লেখ করেছিলেন, তিনি কাউকে চিনতে পারেননি। তাঁদের দাবি, ষড়যন্ত্র করে হত্যার ঘটনাটি কে ব্যাবহার করে সোহরাব হোসেনকে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। এ সময় বক্তারা সোহরাব হোসেনের অবিলম্বে মুক্তি এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন -জাহাঙ্গীর মোল্লা রনি দেওয়ান, শেখ আরিফ হোসেন, নাজমুল হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, রফিক শেখ, জাহিদুল ইসলাম বেপারী, পারুল বেগমসহ স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।