মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২ হাজার ১৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৭৪ জন। এতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। উপজেলায় একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অপরদিকে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে দুটি প্রতিষ্ঠান। গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ১৩টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। এ শাখায় পাসের হার ৭৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, উপজেলার ৮টি মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ২৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৯৬ জন। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন এবং পাসের হার ৭৯ দশমিক ০৩ শতাংশ। এছাড়া এইচএসসি (বিএম) শাখায় ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৫ জন। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন এবং পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এইচএসসি (বিএম) শাখায় দুটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে সাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। অপরদিকে, মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করে সবাই পাস করেছে। উপজেলার সার্বিক ফলাফলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থী এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসাহ দেখা গেছে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২ হাজার ১৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৬৭৪ জন। এতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। উপজেলায় একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অপরদিকে শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে দুটি প্রতিষ্ঠান। গত ৩১ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ১৩টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ১ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। এ শাখায় পাসের হার ৭৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, উপজেলার ৮টি মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ২৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৯৬ জন। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন এবং পাসের হার ৭৯ দশমিক ০৩ শতাংশ। এছাড়া এইচএসসি (বিএম) শাখায় ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৫ জন। এ শাখায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন এবং পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এইচএসসি (বিএম) শাখায় দুটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে সাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। অপরদিকে, মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ করে সবাই পাস করেছে। উপজেলার সার্বিক ফলাফলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৬ জন শিক্ষার্থী এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উৎসাহ দেখা গেছে।