নিজস্ব প্রতিবেদক
কুয়েতের আল-মুতলায় নিরাপত্তাকর্মী হত্যার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মাথায় প্রধান সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আরমান হোসেন একজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে আল-মুতলা এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার ও হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
পুলিশের তদন্তের একপর্যায়ে ওই ভবনের সাবেক এক নিরাপত্তাকর্মীর ওপর সন্দেহ হয়। ঘটনার মাত্র এক দিন আগে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন বাংলাদেশি নাগরিকের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং আবাসন আইন লঙ্ঘনের কারণে গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজেই কুয়েতের শার্ক থানায় আত্মসমর্পণ করেন। তবে তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আরমান হোসেন। তার বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলায় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরমান জানান, চাকরিতে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়া ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, কাঠের টুকরা ও ছুরি দিয়ে হামলা চালিয়ে ওই নিরাপত্তাকর্মীকে হত্যা করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অভিযুক্ত বাংলাদেশিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।