গাইবান্ধায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধ'র্ষ'ণে'র অ'ভি'যো'গে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রে'ফ'তা'র করেছে এসআরবি-১৩।

আপলোড সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৫:৩১:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক *

গাইবান্ধায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৩। ১। এসআরবি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালনসহ অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণ, রাহাজানিসহ মারাত্মক সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে এসআরবি অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকে। ২। গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে দ্বীনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া ও কওমী মাদরাসার এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে হাছান আলী (৬৯) কে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩। গতকাল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাছান আলী ঐ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং


গাইবান্ধার রামচন্দ্রপুর(পোড়াবাড়ীর মোড়) এলাকার মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে। ৩। মামলার এজাহারসূত্রে জানা যায় যে, প্রায় ৮ বছর পূর্বে ওই মাদ্রাসার আবাসিক শাখায় ভর্তি করে দেওয়ার পরে ওই কিশোরীর বাবা মা কর্মের তাগিদে ঢাকায় চলে যান। প্রতিমাসে তারা ঢাকা থেকে গাইবান্ধায় এসে মেয়ের সাথে দেখা করতেন এবং মাদ্রাসার খরচ দিয়ে যেতেন। পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার প্রায় ৬ মাস আগে থেকে ওই কিশোরীকে নানা ভাবে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। কিশোরী বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে তারা ঐ পরিচালককে ফোন করে। তখন পরিচালক মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করে এবং এমন ঘটনা আর ঘটাবে না বলে অঙ্গীকার করেন। গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬ টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়ীতে ডেকে নেন। এসময় পরিচালকের বাড়িতে প্রবেশ করা মাত্রই ঐ কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করে হাসান আলী ডাক্তার। এঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরীকে হত্যাসহ লাশ গুম করার হুমকি দেয় এবং পরিচালক তার পিতামাতার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে ঐ কিশোরী কৌশলে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা মাকে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা মা গত ৩১ আগষ্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে গত ০১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে (মামলা নং-২২)। ৪। মামলা

দায়েরের পরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ০১ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখ রাত ১২.৩০ ঘটিকার সময় সিপিসি-৩, এসআরবি-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাধীন ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে অভিযান পরিচালনা করে শ্যামলী ট্রাভেলস বাস কাউন্টারের সামনে থেকে গাইবান্ধা সদর থানার মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোঃ হাসান আলী ডাক্তারকে গ্রেফতার করে। ৫। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া সমাজ থেকে হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, বলাৎকারের মতো মারাত্মক অপরাধ দমনে এসআরবি-১৩ এর এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। ..মূলকপি স্বাক্ষরিত... বিপ্লব কুমার গোস্বামী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]