নিজস্ব প্রতিবেদক
গত সপ্তাহে কারাবাও কাপ থেকে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেওয়ার পর দারুণ প্রতিশোধ নিলো ব্রাইটন। ম্যানচেস্টার সিটিকে স্তব্ধ করে দিল তারা। এনজো মারেস্কার দলকে টানা দ্বিতীয় প্রিমিয়ার লিগ হারের হতাশায় ভাসাল দলটি। আগের ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরেছিল সিটি। বুধবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফ্যাবিয়ান হুরজেলের দল দুবার এগিয়ে গেলেও টাইব্রেকারে হেরে গিয়েছিল। শনিবার তারা দুর্দান্ত এক জয়ে শীর্ষস্থানের ঠিক দুই পয়েন্ট পেছনে তৃতীয় স্থানে উঠে এল। ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটে জয়সূচক গোলটি পায় ব্রাইটন। ডান দিক থেকে মাথেউস নুনেসের একটি ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে গোলটি করেন ইয়াসিন আইয়ারি। এর ১০ মিনিট পরেই সিটি সমতা ফেরাতে পারতো।ইলিম্যান এনদিয়ায়ে ইলিয়ট অ্যান্ডারসনের ক্রসে হেড করলেও বল পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়। এরপর এই সেনেগালিজ ফরোয়ার্ডের শট ফিরিয়ে দেন ব্রাইটনের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে সিটির সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মার ছিলেন এনদিয়ায়ে। তিনি বল নিয়ে একা সামনে এগিয়ে জোরালো শট নিলেও ভারব্রুগেন দারুণ দক্ষতায় তা ক্রসবারে লাগিয়ে বিপদমুক্ত করেন। ব্রাইটনের গোলরক্ষক ভারব্রুগেনকে এদিন ফরোয়ার্ডদের জন্য পরাস্ত করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নুনেসের একটি শট তিনি অসাধারণভাবে ঠেকিয়ে দেন। আর আর্লিং হালান্ডের একটি দুর্বল হেড তার জন্য খুব একটা ভয়ের কারণ হয়নি। সিটির তারকা স্ট্রাইকার হালান্ড এদিন তেমন কোনো পাস বা বলই পাননি। উল্টো ব্রাইটন ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত। ম্যাক্সিম ডি কুইপার ১০ গজ দূর থেকে বল উড়িয়ে মারেন এবং পরে হেডে গোল করার চেষ্টা করলেও
তা সহজেই সেভ হয়। তবে ব্রাইটনের এসব সুযোগ মিস করা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আফসোস করতে
হয়নি। ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে সিটি। কিন্তু তাদের এই অবস্থান খুবই নাজুক। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্সেনাল লিভারপুল ম্যাচে হার এড়ালেই শীর্ষে উঠে যাবে।
গত সপ্তাহে কারাবাও কাপ থেকে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেওয়ার পর দারুণ প্রতিশোধ নিলো ব্রাইটন। ম্যানচেস্টার সিটিকে স্তব্ধ করে দিল তারা। এনজো মারেস্কার দলকে টানা দ্বিতীয় প্রিমিয়ার লিগ হারের হতাশায় ভাসাল দলটি। আগের ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরেছিল সিটি। বুধবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফ্যাবিয়ান হুরজেলের দল দুবার এগিয়ে গেলেও টাইব্রেকারে হেরে গিয়েছিল। শনিবার তারা দুর্দান্ত এক জয়ে শীর্ষস্থানের ঠিক দুই পয়েন্ট পেছনে তৃতীয় স্থানে উঠে এল। ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটে জয়সূচক গোলটি পায় ব্রাইটন। ডান দিক থেকে মাথেউস নুনেসের একটি ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে গোলটি করেন ইয়াসিন আইয়ারি। এর ১০ মিনিট পরেই সিটি সমতা ফেরাতে পারতো।ইলিম্যান এনদিয়ায়ে ইলিয়ট অ্যান্ডারসনের ক্রসে হেড করলেও বল পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়। এরপর এই সেনেগালিজ ফরোয়ার্ডের শট ফিরিয়ে দেন ব্রাইটনের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে সিটির সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মার ছিলেন এনদিয়ায়ে। তিনি বল নিয়ে একা সামনে এগিয়ে জোরালো শট নিলেও ভারব্রুগেন দারুণ দক্ষতায় তা ক্রসবারে লাগিয়ে বিপদমুক্ত করেন। ব্রাইটনের গোলরক্ষক ভারব্রুগেনকে এদিন ফরোয়ার্ডদের জন্য পরাস্ত করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নুনেসের একটি শট তিনি অসাধারণভাবে ঠেকিয়ে দেন। আর আর্লিং হালান্ডের একটি দুর্বল হেড তার জন্য খুব একটা ভয়ের কারণ হয়নি। সিটির তারকা স্ট্রাইকার হালান্ড এদিন তেমন কোনো পাস বা বলই পাননি। উল্টো ব্রাইটন ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত। ম্যাক্সিম ডি কুইপার ১০ গজ দূর থেকে বল উড়িয়ে মারেন এবং পরে হেডে গোল করার চেষ্টা করলেও
তা সহজেই সেভ হয়। তবে ব্রাইটনের এসব সুযোগ মিস করা নিয়ে শেষ পর্যন্ত আফসোস করতে
হয়নি। ৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে সিটি। কিন্তু তাদের এই অবস্থান খুবই নাজুক। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর্সেনাল লিভারপুল ম্যাচে হার এড়ালেই শীর্ষে উঠে যাবে।