ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা শি'ষ্টা'চা'রে'র পরিপ'ন্থী

আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৫:১৭:২৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৫:২২:৫৯ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফোন ছাড়া কি আসলেই একটা দিন কাটানো সম্ভব? উত্তরটা এখন বেশিরভাগ মানুষের জন্যই ‘না’। পকেটে বা হাতে ফোন না থাকলে এক অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করে আমাদের ভেতর। কিছুক্ষণ পরপর নোটিফিকেশন চেক করা কিংবা স্ক্রল করার এই তীব্র নেশা এখন ঘরের চার দেয়াল পেরিয়ে অবলীলায় ঢুকে পড়েছে টয়লেটেও। অভ্যাসবশত কমোডে বসেও যারা স্ক্রিন স্ক্রল করছেন, তারা আসলে অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়।

 

এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।

 

তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

 

কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না।





 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]