নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজবাড়ীর বিশিষ্ট নারী নেত্রী, আইনজীবী, শিশু সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট দেবাহুতি চক্রবর্তী (৭৩) আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত থাকার পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩৪ মিনিটে রাজধানীর ডেল্টা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে রাজবাড়ীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেবাহুতি চক্রবর্তী রাজবাড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণ বাবুর পুকুরচালা এলাকার কুমারেশ চক্রবর্তীর মেয়ে। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও টানা ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজবাড়ী জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম নারী আইনজীবী ছিলেন। শিশুদের সাংস্কৃতিক বিকাশে তিনি ‘আবোল তাবোল’ শিশু সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি অসহায় ও নির্যাতিত নারীদের আইনি সহায়তা এবং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নিজে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও রোগীদের পাশে দাঁড়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘রাজবাড়ী ক্যানসার সোসাইটি’। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশ ও ভারতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৯ অক্টোবর তাকে ঢাকার ডেল্টা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার তিনি মারা যান। মহিলা পরিষদের রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি ডা. পূর্ণিমা দত্ত জানান, দেবাহুতি চক্রবর্তী নিজের মরদেহ ফরিদপুর ডায়াবেটিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করে গেছেন। শনিবার সকালে তার মরদেহ রাজবাড়ী শহরের বাড়িতে আনা হবে।
সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশুদের সৃজনশীল বিকাশ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য রাজবাড়ীর মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুতে জেলায় এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
রাজবাড়ীর বিশিষ্ট নারী নেত্রী, আইনজীবী, শিশু সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট দেবাহুতি চক্রবর্তী (৭৩) আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত থাকার পর শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩৪ মিনিটে রাজধানীর ডেল্টা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে রাজবাড়ীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেবাহুতি চক্রবর্তী রাজবাড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণ বাবুর পুকুরচালা এলাকার কুমারেশ চক্রবর্তীর মেয়ে। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি হিসেবেও টানা ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজবাড়ী জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম নারী আইনজীবী ছিলেন। শিশুদের সাংস্কৃতিক বিকাশে তিনি ‘আবোল তাবোল’ শিশু সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি অসহায় ও নির্যাতিত নারীদের আইনি সহায়তা এবং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নিজে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও রোগীদের পাশে দাঁড়াতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘রাজবাড়ী ক্যানসার সোসাইটি’। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশ ও ভারতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৯ অক্টোবর তাকে ঢাকার ডেল্টা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার তিনি মারা যান। মহিলা পরিষদের রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি ডা. পূর্ণিমা দত্ত জানান, দেবাহুতি চক্রবর্তী নিজের মরদেহ ফরিদপুর ডায়াবেটিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করে গেছেন। শনিবার সকালে তার মরদেহ রাজবাড়ী শহরের বাড়িতে আনা হবে।
সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশুদের সৃজনশীল বিকাশ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য রাজবাড়ীর মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন এই গুণী ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যুতে জেলায় এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।