লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে নিখোঁজের সাড়ে তিন বছর পর মহব্বত আলী নামে এক ব্যক্তির দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০-অক্টোবর)২০২৬ইং বেলা ২টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল এ অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেপটিক ট্যাংক থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহব্বত আলী রামনগর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় (জিআর মাধবপুর ৩৪৫) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির তদন্ত চলছিল। সম্প্রতি এ মামলায় একই গ্রামের শাহ আলম (৪২) ও তার স্ত্রী জাহানারাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহব্বত আলীর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ-২ রনজিৎ রায় বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের তথ্য অনুযায়ী, মহব্বত আলীর দেহাবশেষ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘মহব্বত আলীর নিখোঁজের ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মাধবপুর থানায় মামলা হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্ত করছে। শুক্রবার একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে নিখোঁজের সাড়ে তিন বছর পর মহব্বত আলী নামে এক ব্যক্তির দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের একটি বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০-অক্টোবর)২০২৬ইং বেলা ২টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল এ অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেপটিক ট্যাংক থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহব্বত আলী রামনগর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় (জিআর মাধবপুর ৩৪৫) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির তদন্ত চলছিল। সম্প্রতি এ মামলায় একই গ্রামের শাহ আলম (৪২) ও তার স্ত্রী জাহানারাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহব্বত আলীর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ-২ রনজিৎ রায় বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের তথ্য অনুযায়ী, মহব্বত আলীর দেহাবশেষ টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘মহব্বত আলীর নিখোঁজের ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে মাধবপুর থানায় মামলা হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্ত করছে। শুক্রবার একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।