নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলে টিপসই নেওয়ার বিপরীতে ঘুস গ্রহণের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে এক কর্মচারীকে হাতেনাতে ধরেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই দিনে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতি, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা ও রোগী হয়রানির অভিযোগেও অভিযান চালিয়েছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের উদ্যোগে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদক সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সরকার
নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঝিনাইদহের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে দুদক টিম ছদ্মবেশে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন দলিলে টিপসই নেওয়ার বিপরীতে ঘুস গ্রহণসহ বেশ কিছু অনিয়ম দেখতে পায় দলটি। পরে কার্যালয়ে মাস্টাররোলে কর্মরত এক কর্মচারীকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরবর্তী সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন বলে জানা গেছে। অভিযানকালে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নথি পর্যালোচনা করে দুদক টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। অন্যদিকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকা, চিকিৎসাসেবা দিতে অবহেলা ও রোগী
হয়রানির অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চাঁদপুরের আরেকটি দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি হাজিরা খাতা ও বায়োমেট্রিক হাজিরার তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় হাসপাতালে রোগীদের অত্যধিক চাপ দেখা যায়। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, সেবা পেতে প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন দুদক কর্মকর্তারা। এছাড়া হাসপাতালের টিকিট বিতরণ কার্যক্রম, বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের সেবাপদ্ধতি, রোগীদের খাবারের মান এবং রান্নাঘরের পরিবেশ পরিদর্শন করা হয়। ভর্তি রোগীদের ওয়ার্ড ও প্যাথলজি বিভাগও ঘুরে দেখেন তাঁরা। রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন কি না, তাও যাচাই করা হয়। পরিদর্শনে পাওয়া তথ্য ও পর্যবেক্ষণের বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত
কর্মকর্তাকে অবহিত করে দুদক টিম। একই সঙ্গে রোগীদের যথাসময়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, সেবার মানোন্নয়ন এবং হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলে টিপসই নেওয়ার বিপরীতে ঘুস গ্রহণের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে এক কর্মচারীকে হাতেনাতে ধরেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই দিনে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতি, চিকিৎসাসেবায় অবহেলা ও রোগী হয়রানির অভিযোগেও অভিযান চালিয়েছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের উদ্যোগে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুদক সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সরকার
নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঝিনাইদহের একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে দুদক টিম ছদ্মবেশে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন দলিলে টিপসই নেওয়ার বিপরীতে ঘুস গ্রহণসহ বেশ কিছু অনিয়ম দেখতে পায় দলটি। পরে কার্যালয়ে মাস্টাররোলে কর্মরত এক কর্মচারীকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরবর্তী সময়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেন বলে জানা গেছে। অভিযানকালে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্রও সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নথি পর্যালোচনা করে দুদক টিম কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। অন্যদিকে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকা, চিকিৎসাসেবা দিতে অবহেলা ও রোগী
হয়রানির অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চাঁদপুরের আরেকটি দল অভিযান চালায়। অভিযানকালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি হাজিরা খাতা ও বায়োমেট্রিক হাজিরার তথ্য যাচাই করা হয়। এ সময় হাসপাতালে রোগীদের অত্যধিক চাপ দেখা যায়। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, সেবা পেতে প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন দুদক কর্মকর্তারা। এছাড়া হাসপাতালের টিকিট বিতরণ কার্যক্রম, বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের সেবাপদ্ধতি, রোগীদের খাবারের মান এবং রান্নাঘরের পরিবেশ পরিদর্শন করা হয়। ভর্তি রোগীদের ওয়ার্ড ও প্যাথলজি বিভাগও ঘুরে দেখেন তাঁরা। রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন কি না, তাও যাচাই করা হয়। পরিদর্শনে পাওয়া তথ্য ও পর্যবেক্ষণের বিষয়ে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত
কর্মকর্তাকে অবহিত করে দুদক টিম। একই সঙ্গে রোগীদের যথাসময়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা, সেবার মানোন্নয়ন এবং হয়রানি বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।