রাবি প্রতিনিধি:
দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার রাতেই হলের আবাসিক আসন ছেড়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল সংসদের ভিপি মো. নাইম ইসলাম। হলের আসনসংকটের কথা বিবেচনা করেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরেই নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সকলকে হল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টায় তার নিজের ফেসবুক একাউন্টে এক পোস্টে হল ছাড়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন। হল ছাড়ার বার্তা দিয়ে নাইম বলেন, “২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মেধার ভিত্তিতে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর সৈয়দ আমীর আলী হলে ওঠার সৌভাগ্য হয়। হলের শিক্ষার্থী ভাইদের সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসায় হলের ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলাম।
ভিপি হিসেবে দীর্ঘ এক বছরের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হলের আবাসিক ছাত্রজীবন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হল ছেড়েছি।” হল ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আসনসংখ্যা খুবই সীমিত। তাছাড়া, বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই হলের বাইরে থাকেন। সেই জায়গা থেকে চিন্তা করে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরদিনই নিজের সিট ছেড়ে দিয়েছি, যেন আমার সিটে অন্য একজন থাকার সুযোগ পান।” তিনি আরও বলেন, “হল সংসদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালনের সুবিধার্থে যাঁদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে, তাঁদের হলে থাকার বিষয়ে একটি রেজুলেশন পাস হয়। যেহেতু আমার দায়িত্ব শেষ হয়েছে, সেহেতু নিয়ম অনুযায়ী হল সংসদের মেয়াদ শেষের দিনই হল ছেড়ে দিয়েছি।” ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাইম বলেন, “আমাদের সীমিত আসনের এই হলগুলোতে আমরা যদি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পর অন্য কাউকে সুযোগ না দিই, তাহলে হলের শৃঙ্খলা নষ্ট হবে।” উল্লেখ্য, নাইম ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। গত বছরের ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রাকসু এবং হল সংসদ
নির্বাচনে শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট থেকে সৈয়দ আমীর আলী হল সংসদে ভিপি পদে নির্বাচিত হন তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার রাতেই হলের আবাসিক আসন ছেড়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল সংসদের ভিপি মো. নাইম ইসলাম। হলের আসনসংকটের কথা বিবেচনা করেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরেই নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সকলকে হল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টায় তার নিজের ফেসবুক একাউন্টে এক পোস্টে হল ছাড়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন। হল ছাড়ার বার্তা দিয়ে নাইম বলেন, “২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মেধার ভিত্তিতে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর সৈয়দ আমীর আলী হলে ওঠার সৌভাগ্য হয়। হলের শিক্ষার্থী ভাইদের সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসায় হলের ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলাম।
ভিপি হিসেবে দীর্ঘ এক বছরের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হলের আবাসিক ছাত্রজীবন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হল ছেড়েছি।” হল ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আসনসংখ্যা খুবই সীমিত। তাছাড়া, বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই হলের বাইরে থাকেন। সেই জায়গা থেকে চিন্তা করে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরদিনই নিজের সিট ছেড়ে দিয়েছি, যেন আমার সিটে অন্য একজন থাকার সুযোগ পান।” তিনি আরও বলেন, “হল সংসদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালনের সুবিধার্থে যাঁদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে, তাঁদের হলে থাকার বিষয়ে একটি রেজুলেশন পাস হয়। যেহেতু আমার দায়িত্ব শেষ হয়েছে, সেহেতু নিয়ম অনুযায়ী হল সংসদের মেয়াদ শেষের দিনই হল ছেড়ে দিয়েছি।” ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাইম বলেন, “আমাদের সীমিত আসনের এই হলগুলোতে আমরা যদি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পর অন্য কাউকে সুযোগ না দিই, তাহলে হলের শৃঙ্খলা নষ্ট হবে।” উল্লেখ্য, নাইম ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। গত বছরের ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত রাকসু এবং হল সংসদ
নির্বাচনে শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট থেকে সৈয়দ আমীর আলী হল সংসদে ভিপি পদে নির্বাচিত হন তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।