‘মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে’, বাবার অভিযোগের পর তাশরীফ

আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৬ ১১:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৬ ১১:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ধর্মীয় বক্তা হাফেজ ক্বারী জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বিরুদ্ধে অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ না দেওয়া ও খোঁজখবর না রাখার অভিযোগ ওঠার পর স্যোশাল মিডিয়ায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।  এর মধ্যেই নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে।’

 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে দেওয়া তার এই স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

 

এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ ছেলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। 

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি দাবি করেন, অসুস্থ অবস্থায় ছেলের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েও পাননি। এমনকি ছেলে তার খোঁজখবরও রাখেন না।

 

হেদায়েতুল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, ছেলের পরামর্শে মসজিদের ইমামতির চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও পরে কোনো টাকা পাননি।

 

মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘পড়াইয়া তারে আজকে মাওলানা বানাইছি, হাফেজ বানাইছি। সে অস্বীকার যায়, আমি বলে তারে পড়াইছি না। এরপরে তার আরেকটা কথা, সে ছোট সময় তার প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেছিল।পরে মানুষের কাছে ভিক্ষা কইরা কইরা, টাকা চাইয়া চাইয়া; আমি তো টাকা অল্প টাকা পাই, ইমামতি করি, তো টাকাটা চলে না। পরে মাইনষের কাছ থেকে চাইয়া চাইয়া, অনেক কষ্ট কইরা, তারে অনেক দিন পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর হাসপাতালে আমি চিকিৎসা কইরা অনেক কষ্ট কইরা তারে আল্লাহ মুক্তি করছে, ভালো হইছে।’

 

মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘পড়াইয়া তারে আজকে মাওলানা বানাইছি, হাফেজ বানাইছি। সে অস্বীকার যায়, আমি বলে তারে পড়াইছি না। এরপরে তার আরেকটা কথা, সে ছোট সময় তার প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেছিল। পরে মানুষের কাছে ভিক্ষা কইরা কইরা, টাকা চাইয়া চাইয়া; আমি তো টাকা অল্প টাকা পাই, ইমামতি করি, তো টাকাটা চলে না। পরে মাইনষের কাছ থেকে চাইয়া চাইয়া, অনেক কষ্ট কইরা, তারে অনেক দিন পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, মির্জাপুর হাসপাতালে আমি চিকিৎসা কইরা অনেক কষ্ট কইরা তারে আল্লাহ মুক্তি করছে, ভালো হইছে।’

 

নিজের অসুস্থতার সময় ছেলের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, তারে কইছি, আমারে কিছু টাকা দে। পরে কিছু টাকা না দিয়া কয়, আমি জমি কিনমু। আমি টাকা দিতে পারতাম না, কষ্ট করে তোরে লেখাপড়া করলাম, লালন-পালন করলাম, তুই টাকা দিতে পারতি না?’

 

সম্প্রতি টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ঘটনায় ওই শিক্ষকের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ।







 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]