শহিদুল ইসলাম, ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বলিভদ্র ইউনিয়নের বলিভদ্র দাখিল মাদ্রাসার নূরানী শাখা ও হযরত খাব্বাব (রাযি.) দারুল উলূম মাদ্রাসার প্রথম হাফেজ হিসেবে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন হাফেজ মো. গোলাম রাব্বানী। তাঁর এ সাফল্য উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সংবর্ধনা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোলাম রাব্বানী উপজেলার বলিভদ্র ইউনিয়নের ইসপিঞ্জারপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দুই বছরের সাধনা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রথম হাফেজ হিসেবে তাঁর এ অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো. মোশাররফ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ আবু ইউসুফ জামালী, শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমান, হাফেজ রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দোয়া ও মোনাজাতে নবীন হাফেজের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যৎ জীবনের সার্বিক সফলতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং
মাদ্রাসার উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম হাফেজ তৈরির এ সাফল্য স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষার অগ্রযাত্রায় একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বলিভদ্র ইউনিয়নের বলিভদ্র দাখিল মাদ্রাসার নূরানী শাখা ও হযরত খাব্বাব (রাযি.) দারুল উলূম মাদ্রাসার প্রথম হাফেজ হিসেবে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন হাফেজ মো. গোলাম রাব্বানী। তাঁর এ সাফল্য উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সংবর্ধনা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোলাম রাব্বানী উপজেলার বলিভদ্র ইউনিয়নের ইসপিঞ্জারপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দুই বছরের সাধনা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রথম হাফেজ হিসেবে তাঁর এ অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো. মোশাররফ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ আবু ইউসুফ জামালী, শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমান, হাফেজ রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দোয়া ও মোনাজাতে নবীন হাফেজের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যৎ জীবনের সার্বিক সফলতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং
মাদ্রাসার উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম হাফেজ তৈরির এ সাফল্য স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষার অগ্রযাত্রায় একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।