মামা-ভাগ্নে আর স্ত্রীর হানিট্র্যাপ, প্রেমের ফাঁ'দে বাসায় নিয়ে হতো নি'র্যা'তন-ব্ল্যা'কমে'ইল

আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৬:৪৮:২৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৬:৪৮:২৬ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বাসা বা হোটেলে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন: জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিনা কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) ও সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। ডিবির দাবি, জিৎ ভক্ত চক্রটির মূল হোতা। প্রীতম তার ভাগিনা এবং সাবরিনা প্রীতমের স্ত্রী।

 

রোববার (২৫ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, চার ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে চক্রটিকে শনাক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা কার্যক্রম চলছিল। চক্রের সদস্যরা ঘন ঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এ সময় সাতটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের ফাঁকা চেক, একটি টর্চার বেল্ট, ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ নির্যাতনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় ডিবি।

 

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার জানান, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী ব্যক্তিরা। পরে কৌশলে তাঁদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে আসতে প্রলুব্ধ করা হতো।

 

ভুক্তভোগীরা সেখানে গেলে চক্রের পুরুষ সদস্যরা তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখাতেন এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ সময় নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ এবং ভুক্তভোগীদের আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হতো বলে জানিয়েছে ডিবি।

 

ডিবি প্রধান আরও বলেন, একবার টাকা আদায়ের পরও চক্রটি থেমে থাকত না। ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আরও টাকা আদায় করা হতো।

 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]