বিশেষ প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ২নং আমগাঁও ইউনিয়নের ‘উদয় সাগর’ পুকুরে ডুবে মামা-ভাগিনা দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো- হরিপুর উপজেলার আমগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল ওহাব সরকারের ছেলে রনক সরকার ওরফে ওমর আলী (১৫) এবং তার ভাগিনা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ভরলা গ্রামের আল ইমরানের ছেলে মিরাজ (১২)। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিরাজ প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার নানা বাড়ি হরিপুরের
আমগাঁওয়ে বেড়াতে আসে। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বাবার সঙ্গে ‘উদয় সাগর’ পুকুর পাড়ে যায় সে। এ সময় মাছের খাবার দিতে ব্যবহৃত ড্রামের ভেলায় ওঠার বায়না ধরে। বাবা তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের অগোচরে মামা রনককে সাথে নিয়ে সে আবারও পুকুরে যায়। পুকুরের মাঝখানে গিয়ে ড্রামের ভেলা উল্টে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পুকুর পাড়ে রনকের বাইসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ও হরিপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যৌথভাবে রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। হরিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” একসাথে দুই কিশোরের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ২নং আমগাঁও ইউনিয়নের ‘উদয় সাগর’ পুকুরে ডুবে মামা-ভাগিনা দুই কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো- হরিপুর উপজেলার আমগাঁও গ্রামের মৃত আবদুল ওহাব সরকারের ছেলে রনক সরকার ওরফে ওমর আলী (১৫) এবং তার ভাগিনা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার ভরলা গ্রামের আল ইমরানের ছেলে মিরাজ (১২)। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিরাজ প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার নানা বাড়ি হরিপুরের
আমগাঁওয়ে বেড়াতে আসে। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বাবার সঙ্গে ‘উদয় সাগর’ পুকুর পাড়ে যায় সে। এ সময় মাছের খাবার দিতে ব্যবহৃত ড্রামের ভেলায় ওঠার বায়না ধরে। বাবা তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের অগোচরে মামা রনককে সাথে নিয়ে সে আবারও পুকুরে যায়। পুকুরের মাঝখানে গিয়ে ড্রামের ভেলা উল্টে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পুকুর পাড়ে রনকের বাইসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা ও হরিপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যৌথভাবে রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। হরিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” একসাথে দুই কিশোরের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের মাতম চলছে।