ক্লাসে ফিরতে চান চুয়েট শিক্ষার্থীরা, সাবেক ভিসি পুনর্বহালের দাবিতে অনড়

আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৪:৩৭:০৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৬ ০৪:৩৮:২৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও অচলাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষাজীবন। তাই দ্রুত ক্লাসে ফিরতে চান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। তবে, ক্লাসে ফিরতে চাইলেও সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের এক দফা দাবি থেকে সরে আসছেন না তারা। রোববার (২৫ অক্টোবর) শিক্ষকদের উদ্দেশে দেওয়া এক খোলা চিঠিতে এ অবস্থান জানান শিক্ষার্থীরা।

খোলা চিঠিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিনের চলমান আন্দোলন ও অচলাবস্থায় তাদের শিক্ষাজীবন ক্রমাগত পিছিয়ে পড়ছে। তারা আর শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করতে চান না। দ্রুত ক্লাসে ফেরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা। শিক্ষার্থীরা বলেন, ক্লাসে ফিরতে চাওয়া মানে আন্দোলন থেকে সরে আসা নয়। এটি শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আন্দোলন। সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। চুয়েটের সংকট সমাধানে কমিটি, নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে ইউজিসিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি অচলাবস্থার মধ্যে সিন্ডিকেট সভা, যোগ দেননি চুয়েটের কেউ খোলা চিঠিতে আরও বলা হয়, অনলাইনে নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে চুয়েট আবারও কঠোর আন্দোলনে উত্তাল হবে। যৌক্তিক দাবি আদায়ে শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা সংঘাত বা অচলাবস্থা চান না, বরং ক্লাসে ফিরতে চান। একই সঙ্গে শিক্ষাজীবন সচল করা এবং ন্যায্য দাবি পূরণের প্রত্যাশা জানান তারা। শিক্ষকদের প্রতি ক্লাসে ফেরার পথ সুগম করা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা। বিজ্ঞাপন এর আগে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন চুয়েটের শিক্ষার্থীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর উপাচার্যের ভবনে তালা দেন তারা। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর মুখোশ মিছিল এবং ৩০ সেপ্টেম্বর চোখ বাঁধা প্রতিবাদ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে আন্দোলন ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। এদিকে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়ার পরও ক্যাম্পাসের অচলাবস্থা কাটেনি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দেয়। গত ৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখতে ব্যাংককে নির্দেশ দেন উপাচার্য। এ নিয়ে ৭ অক্টোবর ব্যাংক শাখায় প্রতিবাদ জানান সংশ্লিষ্টরা। পরে ১০ অক্টোবর শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি আরও জোরদার হয়। এর মধ্যে উপাচার্য ক্যাম্পাসে গেলে শিক্ষার্থীদের বাধা ও অবরুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।

পরে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায়ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত আসেনি।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]