স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় একটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর ও অফিসকক্ষের তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সামগ্রী, সংগীত উপকরণ এবং থেরাপির যন্ত্রাংশ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিশোর কুমার শর্মা গত ১২ অক্টোবর কেন্দুয়া
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর ১০৮৭। জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক ২টার দিকে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম শেষে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। পরদিন ৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষক কিশোর কুমার শর্মা সীমানাপ্রাচীর ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় অফিসকক্ষের তালাও ভাঙা ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে দরজা ও স্টিলের আলমারির তালা ভাঙা এবং আলমারির একটি অংশ খোলা দেখতে পান। পরে আলমারিতে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রসহ অফিসকক্ষে রাখা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সামগ্রী, সংগীত উপকরণ ও থেরাপিস্টের ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৫ সাল থেকে ‘স্বাধীন বাংলা কেবি অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়’ অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে কাজ করে আসছে। বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিকাশমূলক কার্যক্রমে এসব শিক্ষা উপকরণ, থেরাপির
সরঞ্জাম এবং দাপ্তরিক নথিপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় সামগ্রী না থাকায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ে ভাঙচুর ও সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় একটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর ও অফিসকক্ষের তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সামগ্রী, সংগীত উপকরণ এবং থেরাপির যন্ত্রাংশ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিশোর কুমার শর্মা গত ১২ অক্টোবর কেন্দুয়া
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর ১০৮৭। জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক ২টার দিকে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম শেষে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান। পরদিন ৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষক কিশোর কুমার শর্মা সীমানাপ্রাচীর ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় অফিসকক্ষের তালাও ভাঙা ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে দরজা ও স্টিলের আলমারির তালা ভাঙা এবং আলমারির একটি অংশ খোলা দেখতে পান। পরে আলমারিতে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রসহ অফিসকক্ষে রাখা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সামগ্রী, সংগীত উপকরণ ও থেরাপিস্টের ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৫ সাল থেকে ‘স্বাধীন বাংলা কেবি অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়’ অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে কাজ করে আসছে। বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও বিকাশমূলক কার্যক্রমে এসব শিক্ষা উপকরণ, থেরাপির
সরঞ্জাম এবং দাপ্তরিক নথিপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় সামগ্রী না থাকায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ে ভাঙচুর ও সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।