গাইবান্ধায় মাংস-চাল-ডালে বাড়তি চাপ, দাম কমলেও স্ব'স্তি ফেরেনি ডিম-সবজিতে

আপলোড সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৫:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-১০-২০২৬ ০৫:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক

গাইবান্ধায় চড়া নিত্যপণ্যের বাজার। একদিকে বাড়ছে মাংস, চাল, ডাল, তেল ও মসলার দাম, অন্যদিকে কিছু সবজি ও ডিমের দাম কমলেও তাতে স্বস্তি ফিরছে না সাধারণ মানুষের জীবনে। তিন মাসের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি চিকন চালের দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। একই সময়ে বেড়েছে সব ধরনের ডালের দামও।

সপ্তাহের ব্যবধানে খাসির মাংস ১০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে সোনালী, কক মুরগি, গাজর, টমেটো, আদা, রসুন ও শুকনা মরিচের দাম। ফলে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সংসার চালাতে বাড়ছে চাপ। এদিকে শীতকালীন নতুন সবজির সরবরাহ শুরু হওয়ায় কয়েক ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ডিমের দামও হালিতে ৪ টাকা কমেছে। তবে ভরা মৌসুমেও ফুলকপি ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ টাকা ও বেগুন ৭০ টাকা কেজি হওয়ায় স্বস্তি ফেরেনি ভোক্তা পর্যায়ে। পুষ্টির অন্যতম উৎস নদী ও দেশি মাছের দামও রয়েছে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সরেজমিনে গাইবান্ধার পুরাতন বাজারে (জেলার সব চেয়ে বড় বাজার) গিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই মিলেছে। তিন মাসে চিকন চালে বস্তায় বেড়েছে ২০০ টাকা চালের বাজারেও দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধির চাপ রয়েছে। ভালো মানের চিকন চালের ২৫ কেজির বস্তার দাম তিন মাসে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে এ চাল বিক্রি হচ্ছে ২১০০ টাকা বস্তা হিসেবে। অর্থাৎ কেজিপ্রতি দাম দাঁড়াচ্ছে ৮৪ টাকা। সেপ্টেম্বরে একই চালের বস্তা ছিল ২০০০ টাকা অর্থাৎ প্রতিকেজি বিক্রি

হয়েছে ৮০ টাকা এবং তার আগে আগস্টে ছিল ১৯০০ টাকা অর্থাৎ প্রতিকেজি ৭৬ টাকা। সে হিসেবে আগস্ট থেকে অক্টোবর—মাত্র তিন মাসে ২৫ কেজির একটি বস্তায় ২০০ টাকা বেড়েছে এবং কেজিতে বেড়েছে ৮ টাকা। তবে মাঝারি মানের ২৮/২৯ জাতের চিকন চালে ওঠানামা কিছুটা ভিন্ন। আগস্টে ২৫ কেজির বস্তা ছিল ১২৮০-১৩০০ টাকা অর্থাৎ প্রতিকেজি ছিল ৫১.২/৫২ টাকা। সেপ্টেম্বরে তা কমে ১১৫০-১১৮০ টাকা অর্থাৎ কেজিতে কমেছিল ৫ টাকা পর্যন্ত। তবে, চলতি মাসে আবার বস্তায় ৩০-৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১২০০-১২৫০ টাকা। যার প্রতিকেজি ৪৮/৫০ টাকা। সে হিসেবে এ চালের দামও গতমাসের তুলনায় বস্তাপ্রতি ২০ থেকে ১০০ টাকা বেড়ে কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া মোটা বা নিম্নমানের চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আতপ বা সুগন্ধি চালের বাজারেও বেড়েছে দাম। তিন মাসের ব্যবধানে ভালো মানের কোম্পানির প্যাকেটজাত আতপ চাল কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ২৩০ টাকা হয়েছে। খোলা আতপ চালের দামও কেজিতে ৪০-৪৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১০৫-১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বেড়েছে তেল ও ডালের দাম নিত্যপণ্যের মধ্যে ডালের দামও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। গত তিন মাসে বিভিন্ন ধরনের ডালের দাম সর্বোচ্চ ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মসুর ডাল কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা, অ্যাঙ্কর ডাল ৬৫-৭০ টাকা, বুটডাল ৪০ টাকা বেড়ে ১১০-১২০ টাকা এবং ছোলাবুট ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে খেসারি ডালের দাম ৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া লিটারে ১০ টাকা বেড়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, আর বোতলজাত সয়াবিনে লিটারে ২৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকা। খাসি বেড়েছে কেজিতে ১০০ টাকা, মুরগিতে ৩০ গেল তিনমাসে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে গাইবান্ধায় বেড়েছে খাসির মাংস এবং দেশি মুরগি, সোনালী ও কক মুরগির দাম। খাসির মাংস কেজিতে ১০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকায়। এছাড়া ছাগী ও ভেড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়। গেল সপ্তাহেও এসবের দাম ছিলো ১০০০ এবং ৯০০ টাকা কেজি। অন্যদিকে দেশি মুরগি প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়। এছাড়া কেজিকে ২০ টাকা করে বেড়ে কক ২৯০ ও সোনালী ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দাম অপরিবর্তিত থেকে ব্রয়লর মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা এবং লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে। এছাড়া হাঁস প্রতিপিচ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায়। খাসির মাংস ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি কেজি খাসির মাংসের দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহে দাম তুলনামূলক কম ছিল। বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী সবুজ মিয়া বলেন, গেল বুধবার থেকে দুই দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার ও লেয়ার ছাড়া অন্যসব মুরগির দাম কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বেড়েছে। দেশি ও নদীর মাছে আগুন, কমছে চাষের মাছের দাম গাইবান্ধার বাজারে দেশি ও নদীর মাছের অধিকাংশের দাম ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা কেজি পর্যন্ত। এসব মাছ পুষ্টিতে ভরপুর থাকলেও

মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের কাছে অনেক ক্ষেত্রই তা যেন বিলাসিতার নাম। চাষের তেলাপিয়া ও কৈ ছাড়া ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছই নেই। পুরাতন বাজারে বোয়াল ৬০০-৮০০ টাকা, বাগাড় ৮০০-১০০০, গুজি ৯০০-১০০০, ইটা ৮০০, ছোট চিংড়ি ৬০০, কাজলি ১২০০ এবং ঘাড়ুয়া-গুজি-ইটা মিশ্র ছোট মাছ ৬৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি গতা মাছের কেজি ১৫০০ টাকা। আকারভেদে শোল ৪৫০-৮০০, মাগুর ৬০০-১০০০ এবং টাকি ২০০-৫০০ টাকা কেজি। তবে চাষের মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। কাতলা ৩০০-৪০০, রুই ২৮০, সিলভার ২৫০, মুশা ২৫০, শিং ৩০০, কৈ ২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি ও নদীর মাছ ছাড়া অন্যান্য চাষের মাছের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মাছের ব্যবসায়ী হাবলু বলেন, দেশি ও নদীর মাছ ছাড়া গত দুইদিনে বাজারে সব ধরনের মাছের দাম ৩০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সামনে শীত, এছাড়া গ্রামে বিল-পুকুর শুকানোর ফলে মাছের আমদানি বেড়েছে। ফলে দাম কমছে। ডিম-সবজিতে দাম কমলেও ফেরেনি স্বস্তি শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তাতে স্বস্তি ফেরেনি, বাজারদর এখনও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার তুলনায় বেশি। সবজির ভরা মওসুমেও ২০ টাকা কমে ফুলকপি ৬০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০ টাকা কেজি। ১০ টাকা কমে গোল বেগুন ৭০ টাকা ও করলা ৫০ টাকা। বড়বটি, ভেন্ডি ও ঝিঙা ৪০ টাকা এবং কচু, পটল ও বেগুন ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫ টাকা কমে মিষ্টি কুমড়া ও শিমের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা। অন্যদিকে আলু ও মুলার দাম বেড়েছে। দেশি আলু কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৩৫ টাকা এবং মুলা ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা হয়েছে। বাজারে তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে পেঁপে ২০ টাকা কেজি এবং লাউ প্রতিটি ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লেও সবজির বাজার এখনও এমন পর্যায়ে আসেনি, যেখানে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সহজে প্রয়োজনমতো কিনতে পারে। সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে গাজর ও টমেটোর দাম। এক সপ্তাহে গাজর কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা এবং টমেটো ৩০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে। মসলা বাজারেও একই প্রবণতা। আদা কেজিতে ৬০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকা, রসুন ৪০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪০ টাকা বেড়ে ৪৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা কেজি হয়েছে। ফলে শুধু মূল খাবার নয়, রান্নার উপকরণেও বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে। গাইবান্ধার বাজারে প্রতি পিস হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকায়। আর পাইকারি হিসেবে ট্রেতে প্রতি অর্থাৎ ৩০টি ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। আর খুচরা পর্যায়ে হালিতে বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি ফার্মের মুরগির ডিমের দাম সাড়ে ১০ টাকা। সে হিসেবে খুচরা পর্যায়ে প্রতি হালিতে ক্রেতাদের বাড়তি গুনতে হচ্ছে ২ টাকা। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি ডিমে কমেছে ১ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে হাঁসফাঁস ক্রেতা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই তুলনামূলক কম খরচে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ডালের ওপর নির্ভর করেন। ফলে দাম বাড়ায় মাছ-মাংসের বিকল্প হিসেবেও ডাল কেনা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে চাল, ডাল, তেল ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম একসঙ্গে বাড়ায় শুধু বাজারের একটি পণ্যের দাম নয়, পুরো পরিবারের মাসিক খাদ্য ব্যয়ের ওপরই এর প্রভাব পড়ছে। পুরাতন বাজারে আসা

ওয়াশিম আলম বলেন, বাজারে প্রত্যেকটি পণ্যের দামই বেশি। এখন সবজির ভরা মৌসুম। এই সময়ে বেগুন ১০-১৫ টাকা থাকার কথা, কিন্তু এখনও ৭০ টাকা। ফুলকপি ৬০ টাকা। যা আমাদের নাগালের বাইরে। যা আয় করি, তা দিয়ে সংসার চলে না। হাফিজুর রহমান বলেন, ৭০০ টাকার গরুর মাংস এখন ৭৫০ টাকায় নিতে হচ্ছে। পেঁয়াজ, মরিচ, আদা-রসুন সবকিছুর দাম বেশি। পরিবার চালাতে গিয়ে দেড় কেজির জায়গায় এক কেজি কিনতে হচ্ছে। খানকাহ শরীফ মাদরাসার সহকারী শিক্ষক রুবেল আহমেদ বলেন, মাছের বাজার বাস্তবে আমাদের নাগালের বাইরে। এক কেজি চাষের শিং মাছ কেউ ৩০০ টাকা চাচ্ছে, আবার কেউ সেটাই দেশি বলে ৬০০ টাকা চাচ্ছে। অন্য মাছ তো চিন্তাই করা যায় না। পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসা বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য আছে, কিন্তু আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত, তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। সবজির দাম কিছুটা কমেছে, তবে ভরা মৌসুমে দাম আরও কম হওয়ার কথা ছিল। পুঁটি মাছও এখন ২০০ টাকা কেজি। দেশি মাছ খেতে স্বাদ থাকলেও কেনার সাধ্য নেই সাধারণের। আঞ্জুমানআরা নামে এক নারী বলেন, ডিমের দাম ১০ টাকার নিচে হলে স্বাভাবিক বলা যেত। মাছ, মাংস সবকিছুর দাম বেশি। সংসারে হিমসিম খেতে হচ্ছে। ভাত-তরকারিতেই ঘাটতি, বাড়তি ফলফ্রুট কেনা হচ্ছেনা। প্রয়োজনের থেকেও তুলনামূলক কম করে নিতে হচ্ছে সব কিছুই। মাংস কিনলে অন্যদিকে হচ্ছেনা। এনজিওতে কর্মরত সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সব পণ্যই সাধারণ ক্রেতাদের সাধ্যের বাইরে। বিশেষ করে সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে সবার জন্য সুবিধা হতো। গাইবান্ধার দ্রব্যমূল্যের বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) গাইবান্ধার সভাপতি কেএম রেজাউল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রশাসনিক অসহযোগিতা বা তৎপরতার অভাবে গাইবান্ধার ক্যাব কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করে তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার কথা নয়। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো মূল্য নির্ধারণ করে সকালে মোবাইলে মোবাইলে সেই দাম জানিয়ে দেন এবং ওই দামেই বেচাকেনা চলে। এ ক্ষেত্রে বাজার মনিটরিংয়ে প্রশাসনিক নজরদারির বড় ঘাটতি রয়েছে। বাজার সহনীয় রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর তৎপরতা বাড়ানো দরকার। সেক্ষেত্রে বিশেষ করে জেলা প্রশাসনের মোবাইল টিম নিয়মিত ও কার্যকরভাবে বাজার মনিটরিং করলে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার সহকারী

পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন ঢাকা পোস্টকে বলেন, দ্রব্যমূল্যের বাজার সহনীয় রাখতে এবং বাজারের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অন্যান্য দপ্তরের সমন্বয়ে আমাদের নিয়মিত মনিটরিং অব্যহত রয়েছে। তবে চলতি বছর বা গেল তিন মাসে ঠিক কতটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]