কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা শহরের সাপ্তাহিক হাটে ফুটপাত ও মূল সড়ক দখলের মহোৎসব চলছে। এতে হাটের দিনগুলোতে বাজারে আসা হাজার হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের যাতায়াত মারাত্মক
ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কাউখালী বাজারে সপ্তাহে প্রতি শুক্রবার ও সোমবার সাপ্তাহিক হাট বসে। এই হাটে কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী, পিরোজপুর সদর , ঝালকাঠি সদর,রাজাপুর, স্বরূপকাঠি ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা-সাধারণ কেনাকাটা করতে আসেন। সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারে আসা মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ড্রেনের ওপর ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছিল এবং মূল রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু চিরাপাড়া ব্রিজের ঢাল থেকে শুরু করে দক্ষিণ বাজার ও উত্তর বাজার পর্যন্ত রাস্তার পাশের ফুটপাত একশ্রেণীর ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে। ফুটপাতে দোকান বসানো ও মালামাল সাজিয়ে রাখার কারণে হেঁটে চলারও কোনো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে গাড়ি চলাচলের মূল পথ দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে, যার ফলে যান চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে চরম বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি। এছাড়া মূল সড়কের ওপর চাকাযুক্ত ভ্যানগাড়িতে দোকান সাজিয়ে বসা এবং ইজিবাইক ও অটোরিকশার অতিরিক্ত চাপের কারণে বাজারে আসা মানুষের কষ্ট এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
স্থানীয়রা জানান, পূর্বে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ফুটপাত দখলের বিষয়ে আলোচনা শেষে রেজুলেশনের মাধ্যমে ফুটপাত সর্বদা হকার ও দখলমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। প্রশাসন কর্তৃক মাইকিং ও সতর্কবার্তা দেওয়ার পর কিছুদিন ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলেও, সম্প্রতি দক্ষিণ বাজার থেকে উত্তর বাজার পর্যন্ত পুনরায় অধিকাংশ ফুটপাত ও রাস্তা দখলদারদের দখলে চলে গেছে। এ বিষয়ে সংবাদকর্মী মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাজারে সাধারণ মানুষের চলাচলের কোনো নিরাপত্তা নেই। বিশেষ করে নারী ও প্রবীণ ব্যক্তিরা হাটের দিনগুলোতে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্বাভাবিক বাজার পরিচালনার জন্য প্রশাসনের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। ভ্যানগাড়ির দোকান ও ফুটপাত মুক্ত করলে বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক করার বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
মো: আনোয়ার হোসেন জানান, "বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক করতে উপজেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি এবং বাজার ঘুরে দেখেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা শহরের সাপ্তাহিক হাটে ফুটপাত ও মূল সড়ক দখলের মহোৎসব চলছে। এতে হাটের দিনগুলোতে বাজারে আসা হাজার হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের যাতায়াত মারাত্মক
ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কাউখালী বাজারে সপ্তাহে প্রতি শুক্রবার ও সোমবার সাপ্তাহিক হাট বসে। এই হাটে কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী, পিরোজপুর সদর , ঝালকাঠি সদর,রাজাপুর, স্বরূপকাঠি ও ভাণ্ডারিয়া উপজেলা থেকে হাজার হাজার ক্রেতা-সাধারণ কেনাকাটা করতে আসেন। সরেজমিনে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারে আসা মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ড্রেনের ওপর ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছিল এবং মূল রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু চিরাপাড়া ব্রিজের ঢাল থেকে শুরু করে দক্ষিণ বাজার ও উত্তর বাজার পর্যন্ত রাস্তার পাশের ফুটপাত একশ্রেণীর ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছে। ফুটপাতে দোকান বসানো ও মালামাল সাজিয়ে রাখার কারণে হেঁটে চলারও কোনো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে সাধারণ মানুষকে গাড়ি চলাচলের মূল পথ দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে, যার ফলে যান চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে চরম বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি। এছাড়া মূল সড়কের ওপর চাকাযুক্ত ভ্যানগাড়িতে দোকান সাজিয়ে বসা এবং ইজিবাইক ও অটোরিকশার অতিরিক্ত চাপের কারণে বাজারে আসা মানুষের কষ্ট এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
স্থানীয়রা জানান, পূর্বে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ফুটপাত দখলের বিষয়ে আলোচনা শেষে রেজুলেশনের মাধ্যমে ফুটপাত সর্বদা হকার ও দখলমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। প্রশাসন কর্তৃক মাইকিং ও সতর্কবার্তা দেওয়ার পর কিছুদিন ফুটপাত দখলমুক্ত থাকলেও, সম্প্রতি দক্ষিণ বাজার থেকে উত্তর বাজার পর্যন্ত পুনরায় অধিকাংশ ফুটপাত ও রাস্তা দখলদারদের দখলে চলে গেছে। এ বিষয়ে সংবাদকর্মী মাসুম বিল্লাহ বলেন, বাজারে সাধারণ মানুষের চলাচলের কোনো নিরাপত্তা নেই। বিশেষ করে নারী ও প্রবীণ ব্যক্তিরা হাটের দিনগুলোতে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্বাভাবিক বাজার পরিচালনার জন্য প্রশাসনের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। ভ্যানগাড়ির দোকান ও ফুটপাত মুক্ত করলে বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক করার বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
মো: আনোয়ার হোসেন জানান, "বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক করতে উপজেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি এবং বাজার ঘুরে দেখেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাজারের পরিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।