ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিনিজের
স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি ও মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার। মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদ-পদবি কিংবা সামাজিক অবস্থানে নয়, বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে। সেই বিবেচনায় দ্বীনি আদর্শের প্রতি অনুরাগ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার। তিনি নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি এবং মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা।
প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা তাঁকে একটি মানবিক পরিচয়ে তুলে ধরেছে। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার প্রথাগত অর্থে কোনো আলেম নন। তবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শ ও সুন্নীয়াতের প্রতি তাঁর অনুরাগ রয়েছে। দ্বীনি চেতনা ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততা ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এবং নিজের অবস্থান থেকে সহযোগিতার চেষ্টা তাঁর দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুন্নীয়াতভিত্তিক সংগঠনগুলোর মধ্যে নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদ একটি পরিচিত নাম। সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার দ্বীনি আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের প্রতি নিজের ভালোবাসা ও অঙ্গীকার ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। তবে তাঁর পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মানবিক কর্মকাণ্ড। মানুষরতন সামাজিক সংঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং মানুষের দুঃসময়ে সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার
মানসিকতাই এ উদ্যোগের মূল প্রেরণা। বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার মতো কার্যক্রম সামাজিক সংগঠনটির মানবিক উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া, অসহায় মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করা এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার চর্চাকে উৎসাহিত করে। প্রবাসে বসবাস করেও দেশের মানুষের কথা ভাবা এবং সামাজিক কল্যাণে অবদান রাখার চেষ্টা করা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। কারণ, মানবিক কাজের জন্য শুধু অর্থনৈতিক সামর্থ্যই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের দ্বীনি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা সেই চেতনারই প্রতিফলন। সমাজে এমন উদ্যোগের গুরুত্ব অনেক। কারণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠারও একটি অংশ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ছোট ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। পাশাপাশি অন্যদেরও সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের পথচলায় দ্বীনি সংগঠনের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক কল্যাণে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা পাশাপাশি রয়েছে। একজন মানুষ হিসেবে তাঁর এই উদ্যোগের তাৎপর্য এখানেই—নিজের ব্যস্ততা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মানুষের কল্যাণের কথা ভাবা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার চেষ্টা করা। নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি ও মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের মতো মানুষের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হোক—এমন প্রত্যাশা সমাজের অনেকেরই। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহযোগিতা কার্যক্রম আরও
এগিয়ে যাক, মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতা বাড়ুক এবং মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হোক। দ্বীনি চেতনা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা—এই তিনটি বিষয়কে ধারণ করে মানবকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ই হোক তাঁর আগামী দিনের পথচলার প্রেরণা। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক সবচেয়ে বড় পরিচয়, মানবিকতাই হোক কাজের মূল প্রেরণা।
স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি ও মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার। মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর পদ-পদবি কিংবা সামাজিক অবস্থানে নয়, বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে। সেই বিবেচনায় দ্বীনি আদর্শের প্রতি অনুরাগ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার। তিনি নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি এবং মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা।
প্রবাসে অবস্থান করেও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা তাঁকে একটি মানবিক পরিচয়ে তুলে ধরেছে। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার প্রথাগত অর্থে কোনো আলেম নন। তবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শ ও সুন্নীয়াতের প্রতি তাঁর অনুরাগ রয়েছে। দ্বীনি চেতনা ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততা ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এবং নিজের অবস্থান থেকে সহযোগিতার চেষ্টা তাঁর দায়িত্ববোধের পরিচয় বহন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুন্নীয়াতভিত্তিক সংগঠনগুলোর মধ্যে নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদ একটি পরিচিত নাম। সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার দ্বীনি আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের প্রতি নিজের ভালোবাসা ও অঙ্গীকার ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। তবে তাঁর পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মানবিক কর্মকাণ্ড। মানুষরতন সামাজিক সংঘ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং মানুষের দুঃসময়ে সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার
মানসিকতাই এ উদ্যোগের মূল প্রেরণা। বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার মতো কার্যক্রম সামাজিক সংগঠনটির মানবিক উদ্দেশ্যকে তুলে ধরে। মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া, অসহায় মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করা এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার চর্চাকে উৎসাহিত করে। প্রবাসে বসবাস করেও দেশের মানুষের কথা ভাবা এবং সামাজিক কল্যাণে অবদান রাখার চেষ্টা করা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। কারণ, মানবিক কাজের জন্য শুধু অর্থনৈতিক সামর্থ্যই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন মানুষের প্রতি মমত্ববোধ, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের দ্বীনি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা সেই চেতনারই প্রতিফলন। সমাজে এমন উদ্যোগের গুরুত্ব অনেক। কারণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠারও একটি অংশ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ছোট ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। পাশাপাশি অন্যদেরও সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে। নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের পথচলায় দ্বীনি সংগঠনের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক কল্যাণে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা পাশাপাশি রয়েছে। একজন মানুষ হিসেবে তাঁর এই উদ্যোগের তাৎপর্য এখানেই—নিজের ব্যস্ততা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মানুষের কল্যাণের কথা ভাবা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার চেষ্টা করা। নাসাব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের সভাপতি ও মানুষরতন সামাজিক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা নাজাত মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারের মতো মানুষের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হোক—এমন প্রত্যাশা সমাজের অনেকেরই। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সহযোগিতা কার্যক্রম আরও
এগিয়ে যাক, মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতা বাড়ুক এবং মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হোক। দ্বীনি চেতনা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা—এই তিনটি বিষয়কে ধারণ করে মানবকল্যাণে কাজ করার প্রত্যয়ই হোক তাঁর আগামী দিনের পথচলার প্রেরণা। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক সবচেয়ে বড় পরিচয়, মানবিকতাই হোক কাজের মূল প্রেরণা।