ভোটার তালিকায় ‘মৃ'ত’, নাম ফেরাতে ল'ড়ছে'ন তিনি

আপলোড সময় : ২১-১০-২০২৬ ০৮:৩৩:২৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-১০-২০২৬ ০৮:৩৩:২৩ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) নামে কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটার তালিকায় অনেক জীবিত মানুষকে ‘মৃত’ হিসেবে দেখানোর পাশাপাশি লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার বঞ্চিত করার অভিযোগে দেশজুড়ে চলছে তুমুল বিক্ষোভ ও রাজপথের আন্দোলন।

 

ভারতের নির্বাচন কমিশনের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের খড়্গ পড়েছে দিল্লির ৫৩ বছর বয়সী দর্জি কামতা প্রসাদের ওপর। ৩৫ বছর ধরে নিয়মমিত ভোট দিয়ে আসা কামতাকে নতুন তালিকায় 'মৃত' হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। নিজের জীবিত থাকার প্রমাণ দিতে এখন তিনি সরকারি দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। শুধু কামতা প্রসাদই নন, দিল্লির প্রায় ৪২ লাখসহ ভারতের প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম নতুন খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

 

এই ঘটনার প্রতিবাদে মোদি সরকার এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছেন বিরোধী দল ও ক্ষুব্ধ জনতা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটার তালিকায় এমন কারসাজি করেছেন। তারা সিইসির পদত্যাগের দাবিতে টানা বিক্ষোভ করছেন। যদিও নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি উভয়েই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 

প্রশাসনিক এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। জমির কাগজপত্র বা ইউটিলিটি বিল না থাকার অজুহাতে বাদ দেওয়া হয়েছে বহু বছরের পুরানো ভোটারদের নাম। এতে শুধু ভোটাধিকারই নয়, সরকারি ভর্তুকি মূল্যে রেশন ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা হারানোর আশঙ্কায় চরম উদ্বেগে রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

 

প্রবল বিতর্কের মুখে দিল্লি সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য পুনরায় যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভুক্তভোগীদের আপিল করার এবং নতুন করে নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও, দীর্ঘ শুনানির প্রক্রিয়া ও লালফিতার দৌড়ঝাঁপে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভারতের সাধারণ নাগরিকেরা।

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]