স্টাফ রিপোর্টারঃ
শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বুধবার (২১ অক্টোবর) মহাবিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনব্যাপী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে গিয়ে ভক্তদের মধ্যে দেখা যায় আবেগ ও বিষাদের আবহ। একই সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকার প্রার্থনা করেন তাঁরা। পৌরাণিক
বিশ্বাস অনুযায়ী, পৃথিবীতে যখন পাপ ও অধর্মের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন অশুভ শক্তির বিনাশ এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। চণ্ডী ও পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, রাজা সুরথ ঋষি মেধসের আশ্রমে বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় মন্দিরে মন্দিরে ভক্তরা দেবীকে বিদায় জানান এবং পরিবার, সমাজ ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করেন। পূজামণ্ডপে আসা ভক্তরা জানান, এবার তাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্বিঘ্নে দেবী দুর্গার দর্শন ও পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পেরেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক ছিল বলে তাঁরা উল্লেখ করেন। আগামী দিনগুলোতেও যেন সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন, সেই কামনা করেন তাঁরা। নেত্রকোণা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক শ্রী লিটল চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, “এবার নেত্রকোণা জেলায় ৫৪০টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভক্তরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পূজা উপভোগ করেছেন। পূজা উদ্যাপনে জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এ জন্য নেত্রকোণা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই।” প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটলেও ভক্তদের হৃদয়ে রয়ে যায় দেবীকে ঘিরে নানা স্মৃতি, আনন্দ ও আবেগ। আগামী বছর আবারও দেবী দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় থাকবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বুধবার (২১ অক্টোবর) মহাবিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনব্যাপী পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে গিয়ে ভক্তদের মধ্যে দেখা যায় আবেগ ও বিষাদের আবহ। একই সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকার প্রার্থনা করেন তাঁরা। পৌরাণিক
বিশ্বাস অনুযায়ী, পৃথিবীতে যখন পাপ ও অধর্মের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন অশুভ শক্তির বিনাশ এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে। চণ্ডী ও পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, রাজা সুরথ ঋষি মেধসের আশ্রমে বসন্তকালে দেবীর আরাধনা করেছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে। গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় মন্দিরে মন্দিরে ভক্তরা দেবীকে বিদায় জানান এবং পরিবার, সমাজ ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করেন। পূজামণ্ডপে আসা ভক্তরা জানান, এবার তাঁরা পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্বিঘ্নে দেবী দুর্গার দর্শন ও পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পেরেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক ছিল বলে তাঁরা উল্লেখ করেন। আগামী দিনগুলোতেও যেন সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন, সেই কামনা করেন তাঁরা। নেত্রকোণা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের
সাধারণ সম্পাদক শ্রী লিটল চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, “এবার নেত্রকোণা জেলায় ৫৪০টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভক্তরা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পূজা উপভোগ করেছেন। পূজা উদ্যাপনে জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এ জন্য নেত্রকোণা জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানাই।” প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটলেও ভক্তদের হৃদয়ে রয়ে যায় দেবীকে ঘিরে নানা স্মৃতি, আনন্দ ও আবেগ। আগামী বছর আবারও দেবী দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় থাকবেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।