মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
‘আপনারা কেন এই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশে যাবেন? এখানে ভালো থাকবেন। আপনাদের পূর্বপুরুষেরা এই মাটিতে ছিলেন, আপনারাও আছেন, পরবর্তী প্রজন্মও থাকবে।’ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালী ইউনিয়নের কবুতরখালী গ্রামের দক্ষিণ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ
সময় তিনি দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছেন এবং নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন। আমরা সবাই মানুষ। একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থাকব। আমাদের সমাজ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছে। আগে প্রতিটি পূজামণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো, এখন ৬০০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নির্দেশনা দিয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলার ৭৯টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান বিভাগীয় কমিশনার। এ সময় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. গোলাম রব্বানী, মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) আতাউর রাব্বি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আলআমিন, মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসক ডা. সুদীব হালদারের বাড়িতে অবস্থিত রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
‘আপনারা কেন এই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী দেশে যাবেন? এখানে ভালো থাকবেন। আপনাদের পূর্বপুরুষেরা এই মাটিতে ছিলেন, আপনারাও আছেন, পরবর্তী প্রজন্মও থাকবে।’ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালী ইউনিয়নের কবুতরখালী গ্রামের দক্ষিণ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ
সময় তিনি দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছেন এবং নিজ নিজ ধর্ম পালন করছেন। আমরা সবাই মানুষ। একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থাকব। আমাদের সমাজ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছে। আগে প্রতিটি পূজামণ্ডপে ৫০০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো, এখন ৬০০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নির্দেশনা দিয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলার ৭৯টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান বিভাগীয় কমিশনার। এ সময় পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. গোলাম রব্বানী, মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
(ইউএনও) আতাউর রাব্বি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আলআমিন, মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসক ডা. সুদীব হালদারের বাড়িতে অবস্থিত রাজমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।