সৌদিতে মৃ'ত্যুদ'ণ্ড: ১৫ দিন আগে ফোনে দুই মাসের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন সুইটি

আপলোড সময় : ২০-১০-২০২৬ ০৬:৪৫:০১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-১০-২০২৬ ০৬:৪৫:০১ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেরা ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামের দিনমজুর ফজল মিয়ার পাঁচ মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সুইটি। চার বছর আগে দেড় লাখ টাকা ধার-দেনা করে দালালের মাধ্যমে সৌদি আরব গিয়েছিলেন তিনি। প্রথম পাঁচ মাস বাড়িতে টাকা পাঠালেও পরবর্তীতে এক সহকর্মীর সাথে কলহের জেরে তাকে কারাবন্দি হতে হয় বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন সুইটি।

 

সুইটির বাবা ফজল মিয়া জানান, কারাবন্দি হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছর সুইটির কোনো খোঁজ ছিল না। পরবর্তীতে প্রতি মাসেই জেলখানা থেকে পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন তিনি। তবে কোনো সময়ই নিজের বিচার বা সাজার বিষয়ে কিছু জানাননি। এমনকি গত ১৫ দিন আগেও ফোন করে আগামী দুই মাসের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার আশার কথা জানিয়েছিলেন সুইটি।

 

দুদিন আগে স্থানীয়ভাবে সুইটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে অবগত থাকলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুইটির মা জহুরা বেগম বলেন, "আমার চার বছরের একটি নাতনি রয়েছে। সরকারের কাছে শুধু জানতে চাই আমার মেয়ের আসলে কী হয়েছে। সে জীবিত নাকি মৃত—যে অবস্থায়ই থাকুক, আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই।"

 

এদিকে স্থানীয় মহেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুর ও মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, সুইটির বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি বা দাপ্তরিক কোনো পর্যায় থেকে তাদের কাছে তথ্য পৌঁছায়নি।

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]