রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি:
ভোরের হালকা কুয়াশা, সোনালি ধানের শিষ আর মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে হেমন্ত এসেছে।
ছয় ঋতুর বাংলাদেশে প্রকৃতি সাজে নানা রঙে, নানা রূপে। বর্ষার অবিরাম বৃষ্টি আর শরতের সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য পেরিয়ে প্রকৃতির দুয়ারে এখন হেমন্ত। শিশিরভেজা ঘাস, ভোরের হালকা কুয়াশা, সোনালি ধানের শিষ আর মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, হেমন্ত এসেছে নিঃশব্দে।
কার্তিক ও অগ্রহায়ণ, এই দুই মাস নিয়ে হেমন্ত ঋতু। শরতের বিদায় আর শীতের আগমনের মধ্যবর্তী এই সময় প্রকৃতিতে আনে ভিন্ন আবহ। ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু, নরম রোদ আর বিকেলের স্নিগ্ধ বাতাসে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে চারপাশের চেনা দৃশ্যপট। হিমুর মতো খালি পায়ে শিশিরভেজা ঘাসে হেঁটে এ সময় হেমন্তকে বুকে ধারণ করা যায়। কুয়াশার চাদর, ঝরা পাতা আর সোনালি ধানের মাঠ মিলিয়ে হেমন্ত যেন প্রকৃতির লেখা এক নীরব কবিতা।
কবিরাও হেমন্তকে দেখেছেন নিজের মতো করে। কবি সুফিয়া কামাল তার ‘হেমন্ত’ কবিতায় সবুজ পাতার খামে হলুদ গাঁদার চিঠি লেখার কল্পনায় ঋতুটির আগমনী বার্তা দিয়েছেন। দূর কোন পাথারের ওপার থেকে কে ডেকে আনে এই ঋতুকে, সেই প্রশ্নই যেন ধ্বনিত হয়েছে তার পঙ্ক্তিতে।
ভোরের হালকা কুয়াশা, সোনালি ধানের শিষ আর মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে হেমন্ত এসেছে।
ছয় ঋতুর বাংলাদেশে প্রকৃতি সাজে নানা রঙে, নানা রূপে। বর্ষার অবিরাম বৃষ্টি আর শরতের সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য পেরিয়ে প্রকৃতির দুয়ারে এখন হেমন্ত। শিশিরভেজা ঘাস, ভোরের হালকা কুয়াশা, সোনালি ধানের শিষ আর মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা জানান দিচ্ছে, হেমন্ত এসেছে নিঃশব্দে।
কার্তিক ও অগ্রহায়ণ, এই দুই মাস নিয়ে হেমন্ত ঋতু। শরতের বিদায় আর শীতের আগমনের মধ্যবর্তী এই সময় প্রকৃতিতে আনে ভিন্ন আবহ। ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু, নরম রোদ আর বিকেলের স্নিগ্ধ বাতাসে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে চারপাশের চেনা দৃশ্যপট। হিমুর মতো খালি পায়ে শিশিরভেজা ঘাসে হেঁটে এ সময় হেমন্তকে বুকে ধারণ করা যায়। কুয়াশার চাদর, ঝরা পাতা আর সোনালি ধানের মাঠ মিলিয়ে হেমন্ত যেন প্রকৃতির লেখা এক নীরব কবিতা।
কবিরাও হেমন্তকে দেখেছেন নিজের মতো করে। কবি সুফিয়া কামাল তার ‘হেমন্ত’ কবিতায় সবুজ পাতার খামে হলুদ গাঁদার চিঠি লেখার কল্পনায় ঋতুটির আগমনী বার্তা দিয়েছেন। দূর কোন পাথারের ওপার থেকে কে ডেকে আনে এই ঋতুকে, সেই প্রশ্নই যেন ধ্বনিত হয়েছে তার পঙ্ক্তিতে।