রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং লোহানীপাড়ার ইউনিয়নকে আধুনিক সৃজনশীল আদর্শ ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে দূঢ় প্রত্যয় হিসেবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, তরুন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী রায়হান কবির মিল্টন । লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুশাসন সমাজ উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ চেয়ারম্যান প্রার্থী রায়হান কবির মিল্টন । সাধারণ মানুষের
পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি আধুনিক, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এছাড়াও লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি রাস্তা তিনি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করছেন। বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে যখন ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, ঠিক সেই সময় মানবসেবাকে রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে সামনে এনে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন এই তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে জানা গেছে।চৌপথী এলাকার এক মুদি দোকানী জানান, রায়হান
কবির মিল্টন সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর রাখেন। কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং যুব ও তরুন সমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে এলাকার তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে। লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের মাধাইখামার ও মাঠেরহাট বাজারের কয়েকজন ব্যাক্তি জানান, একজন জনপ্রতিনিধির মধ্যে যেসব মানবিক গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার অনেকগুলোই রায়হান কবির মিল্টন মধ্যে দেখা যায়। তিনি নিরহংকারী মানুষের সঙ্গে মিশে যান এবং যেকোনো সমস্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। এ কারণেই ইউনিয়নের তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ইতিবাচকভাবে দেখছেন। মালতলা গ্রামের প্রবীণ এক ব্যক্তি বলেন, "বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়, যারা নিজের স্বার্থের আগে এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে। রায়হান কবির মিল্টন সবচেয়ে বড় একটা দিক হলো তার সুন্দর মানসিকতা। তিনি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা আশা করি।" অন্যদিকে যুবসমাজের অনেকেই মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নে নতুন ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের কর্মসংস্থান, খেলাধুলা, সামাজিক সচেতনতা এবং মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয়ে রায়হান কবির মিল্টন সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এবিষয়ে আসন্ন লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মানবতার বাতিঘর রায়হান কবির মিল্টন সাংবাদিককে বলেন ,আমি দীর্ঘ দিন ধরে লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন মানুষের মধ্যে আছি,এবং খুব কাছ থেকে তাদের সুখ দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যা দেখেছি।আমাদের ইউনিয়ন অনেক কিছু সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন।মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানের ভূমিকা রাখার ইচ্ছা থেকে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চেয়ারম্যান পদকে ক্ষমতার পদ হিসেবে দেখিনা।আমি এটাকে মানুষের সেবা করার বড় একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখি।জনগণ আমাকে একটিবার সুযোগ দিলে দল মত ধর্ম বর্ণনির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার প্রধান লক্ষ্য ইউনিয়নের নাগরিক সেবা,আরো সহজ ও স্বচ্ছ করা,রাস্তাঘাটও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্ব দেওয়া,কৃষক সাধারণ মানুষের
প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত মানুষের কাছে পৌছায় তা নিশ্চিত করা।সবশেষে আমি লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের মানুষের কাছে দোয়া ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। তারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন তাহলে আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নয় তাদের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের সেবা করা।লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ঘাট এখনো বেহাল দশা, মাদক, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ভরে গেছে। এ জাতীয় গুরত্বপূর্ণ সমস্যা থেকে জনগণকে পরিত্রান দিতে চাই মানুষের পাশে থেকে। মানুষ যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, উন্নয়ন সুবিধা পায় এবং নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চাই।" তিনি আরও বলেন, "আমি চাই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে। যুবসমাজকে দক্ষ ও সচেতন করে তুলতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে আমার।" এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষকদের সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় শিক্ষিত, মানবিক ও তরুণ নেতৃত্বের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই দিক থেকে রায়হান কবির মিল্টন নিজেকে একজন জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তার সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ভবিষ্যতে নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।
এদিকে লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এখন চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের চাওয়া পাওয়া , যে নেতৃত্বে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে,, উন্নয়নের কথা বলবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে,।এধরনের প্রার্থীকে আমরা বেছে নিব।
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং লোহানীপাড়ার ইউনিয়নকে আধুনিক সৃজনশীল আদর্শ ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে দূঢ় প্রত্যয় হিসেবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, তরুন চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী রায়হান কবির মিল্টন । লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুশাসন সমাজ উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ চেয়ারম্যান প্রার্থী রায়হান কবির মিল্টন । সাধারণ মানুষের
পাশে দাঁড়ানো, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি আধুনিক, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্য নিয়েই তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।এছাড়াও লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি রাস্তা তিনি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করছেন। বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে যখন ব্যক্তিস্বার্থ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে, ঠিক সেই সময় মানবসেবাকে রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে সামনে এনে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন এই তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে জানা গেছে।চৌপথী এলাকার এক মুদি দোকানী জানান, রায়হান
কবির মিল্টন সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর রাখেন। কারো চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং যুব ও তরুন সমাজকে ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে এলাকার তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বালু উত্তোলন ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে তার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে। লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের মাধাইখামার ও মাঠেরহাট বাজারের কয়েকজন ব্যাক্তি জানান, একজন জনপ্রতিনিধির মধ্যে যেসব মানবিক গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার অনেকগুলোই রায়হান কবির মিল্টন মধ্যে দেখা যায়। তিনি নিরহংকারী মানুষের সঙ্গে মিশে যান এবং যেকোনো সমস্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। এ কারণেই ইউনিয়নের তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ইতিবাচকভাবে দেখছেন। মালতলা গ্রামের প্রবীণ এক ব্যক্তি বলেন, "বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়, যারা নিজের স্বার্থের আগে এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে। রায়হান কবির মিল্টন সবচেয়ে বড় একটা দিক হলো তার সুন্দর মানসিকতা। তিনি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমরা আশা করি।" অন্যদিকে যুবসমাজের অনেকেই মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নে নতুন ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তারা বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের কর্মসংস্থান, খেলাধুলা, সামাজিক সচেতনতা এবং মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয়ে রায়হান কবির মিল্টন সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এবিষয়ে আসন্ন লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মানবতার বাতিঘর রায়হান কবির মিল্টন সাংবাদিককে বলেন ,আমি দীর্ঘ দিন ধরে লোহানীপাড়ার ইউনিয়ন মানুষের মধ্যে আছি,এবং খুব কাছ থেকে তাদের সুখ দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যা দেখেছি।আমাদের ইউনিয়ন অনেক কিছু সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন।মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানের ভূমিকা রাখার ইচ্ছা থেকে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চেয়ারম্যান পদকে ক্ষমতার পদ হিসেবে দেখিনা।আমি এটাকে মানুষের সেবা করার বড় একটি দায়িত্ব হিসেবে দেখি।জনগণ আমাকে একটিবার সুযোগ দিলে দল মত ধর্ম বর্ণনির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার প্রধান লক্ষ্য ইউনিয়নের নাগরিক সেবা,আরো সহজ ও স্বচ্ছ করা,রাস্তাঘাটও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্ব দেওয়া,কৃষক সাধারণ মানুষের
প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত মানুষের কাছে পৌছায় তা নিশ্চিত করা।সবশেষে আমি লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের মানুষের কাছে দোয়া ভালোবাসা ও সমর্থন চাই। তারা যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন তাহলে আমি চেয়ারম্যান হিসাবে নয় তাদের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের সেবা করা।লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের অধিকাংশ রাস্তা ঘাট এখনো বেহাল দশা, মাদক, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ভরে গেছে। এ জাতীয় গুরত্বপূর্ণ সমস্যা থেকে জনগণকে পরিত্রান দিতে চাই মানুষের পাশে থেকে। মানুষ যেন তাদের ন্যায্য অধিকার পায়, উন্নয়ন সুবিধা পায় এবং নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চাই।" তিনি আরও বলেন, "আমি চাই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে। যুবসমাজকে দক্ষ ও সচেতন করে তুলতে হবে। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে আমার।" এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষকদের সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় শিক্ষিত, মানবিক ও তরুণ নেতৃত্বের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই দিক থেকে রায়হান কবির মিল্টন নিজেকে একজন জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তার সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ভবিষ্যতে নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।
এদিকে লোহানীপাড়ার ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এখন চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের চাওয়া পাওয়া , যে নেতৃত্বে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবে,, উন্নয়নের কথা বলবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করবে,।এধরনের প্রার্থীকে আমরা বেছে নিব।