মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। যতদূর চোখ যায়, বিস্তৃত মাঠ সেজেছে গাঢ় সবুজ রঙে। তবে আর কিছুদিন পরই যখন ধানের শীষ বের হওয়ার কথা, ঠিক তখনই ক্ষেতে শুরু হয়েছে মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ। দফায় দফায় কীটনাশক ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় রোপা আমনের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৪ ৮০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জিত হয়েছে ৫ হাজার ৫ ১১ হেক্টর জমি। শুরু থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ধান গাছ বেশ সতেজ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পোকার আক্রমণে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, কৃষক ক্ষেত রক্ষায় নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক জায়গায় সনাতন ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি যেমন পার্চিং (ডালপালা পোঁতা) বা পলিথিন টাঙিয়ে পোকা তাড়ানোর চেষ্টা করা হলেও পোকার উপদ্রব কমছে না। চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া এলাকার কৃষক মফিজ
মিয়া বলেন, আর অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ক্ষেতে ধানের শীষ বের হবে। কিন্তু এই সময়ে মাজরা পোকাসহ অন্য পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আমরা সঠিক সময়ে নিয়ম মেনে কীটনাশক স্প্রে করেছি, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে আমদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে। একই উদ্বেগের কথা জানান সিদলাই ইউনিয়নের কৃষক হারুন মিয়া। তিনি বলেন, পোকার আক্রমণ থেকে ধান ক্ষেত বাঁচাতে আমরা জমিতে গাছের ডালপালা পুঁতে দিয়েছি, ডালের মধ্যে পলিথিনও বেঁধে দিয়েছি। কিন্তু এর পরও জমিতে পোকার আক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। দিনে দিনে পোকা বেড়ে যাচ্ছে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। তবে কাইচ থোড় আসার এই সময়ে কিছু কিছু এলাকায় মাজরা পোকার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এটি রোধে আমরা
চাষিদের সহনীয় মাত্রায় অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক নিয়মে প্রাক-সাঁঝের (বিকেলের) পর স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছি। পাশাপাশি জমিতে পার্চিং (ডালপালা পোঁতা) পদ্ধতি চালু রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ ও তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করছি দ্রুতই পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। যতদূর চোখ যায়, বিস্তৃত মাঠ সেজেছে গাঢ় সবুজ রঙে। তবে আর কিছুদিন পরই যখন ধানের শীষ বের হওয়ার কথা, ঠিক তখনই ক্ষেতে শুরু হয়েছে মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ। দফায় দফায় কীটনাশক ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত প্রতিকার না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তা ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় রোপা আমনের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ হাজার ৪ ৮০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জিত হয়েছে ৫ হাজার ৫ ১১ হেক্টর জমি। শুরু থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় ধান গাছ বেশ সতেজ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পোকার আক্রমণে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, কৃষক ক্ষেত রক্ষায় নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক জায়গায় সনাতন ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি যেমন পার্চিং (ডালপালা পোঁতা) বা পলিথিন টাঙিয়ে পোকা তাড়ানোর চেষ্টা করা হলেও পোকার উপদ্রব কমছে না। চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া এলাকার কৃষক মফিজ
মিয়া বলেন, আর অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ক্ষেতে ধানের শীষ বের হবে। কিন্তু এই সময়ে মাজরা পোকাসহ অন্য পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আমরা সঠিক সময়ে নিয়ম মেনে কীটনাশক স্প্রে করেছি, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে আমদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে। একই উদ্বেগের কথা জানান সিদলাই ইউনিয়নের কৃষক হারুন মিয়া। তিনি বলেন, পোকার আক্রমণ থেকে ধান ক্ষেত বাঁচাতে আমরা জমিতে গাছের ডালপালা পুঁতে দিয়েছি, ডালের মধ্যে পলিথিনও বেঁধে দিয়েছি। কিন্তু এর পরও জমিতে পোকার আক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। দিনে দিনে পোকা বেড়ে যাচ্ছে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। তবে কাইচ থোড় আসার এই সময়ে কিছু কিছু এলাকায় মাজরা পোকার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এটি রোধে আমরা
চাষিদের সহনীয় মাত্রায় অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক নিয়মে প্রাক-সাঁঝের (বিকেলের) পর স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছি। পাশাপাশি জমিতে পার্চিং (ডালপালা পোঁতা) পদ্ধতি চালু রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ ও তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করছি দ্রুতই পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসবে।