কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে নদীর চিরাপাড়া মোহনাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৫ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা। কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুফল স্থানীয় জেলেসহ সর্বস্তরের মানুষ পাবেন। তাই মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, ইউএনও রেহানা আক্তারের সার্বিক নির্দেশনায় মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়েই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে নদীর চিরাপাড়া মোহনাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৫ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ হাজার টাকা। কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুফল স্থানীয় জেলেসহ সর্বস্তরের মানুষ পাবেন। তাই মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, ইউএনও রেহানা আক্তারের সার্বিক নির্দেশনায় মা ইলিশ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে পুরো প্রজনন মৌসুমজুড়েই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।