কেন্দুয়ায় অ'বা'ধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহী'ন ‘টেস্টি হজমি’, শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকরা

আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০১:২৭:৪৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০১:২৭:৪৯ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে এখন দেদারসে বিক্রি হচ্ছে তথাকথিত ‘টেস্টি হজমি’ বা চাটনি লবণ। লোভনীয় স্বাদের কারণে ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরা দেদারসে গিলে খাচ্ছে এই উপাদান। তবে উদ্বেগজনক বিষয় হলো- বিক্রি হওয়া এই হজমি লবণের মোড়কে নেই কোনো বিএসটিআই (BSTI) অনুমোদনের সিল, নেই উৎপাদনের তারিখ কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণের মেয়াদ। এমনকি পণ্যের উপাদান সংক্রান্ত কোনো লেবেল বা বিবরণও এতে দেওয়া নেই।

 

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই অজ্ঞাত স্থানে কেমিক্যাল ও নিম্নমানের লবণ মিশিয়ে এসব হজমি তৈরি করে বাজারে ছাড়া হচ্ছে। লোভনীয় চটপটা স্বাদের কারণে ছোট বাচ্চারা টিফিনের টাকা দিয়ে প্রতিদিন এই অস্বাস্থ্যকর উপাদান ক্রয় করে খাচ্ছে। এতে শিশুরা বিভিন্ন পেটের পীড়াসহ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা।

 

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, "বাচ্চারা দোকান থেকে এই হজমি বা লবণ কিনে প্রতিনিয়ত খাচ্ছে। এটি খেয়ে ওরা অসুস্থ হয়ে পড়বে কি না, তা নিয়ে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি। বিএসটিআই অনুমোদন কিংবা মেয়াদ ছাড়া এসব জিনিস কীভাবে বাজারে খোলামেলা বিক্রি হয়?"

 

​স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদনহীন ও অনিয়ন্ত্রিত মাত্রার রাসায়নিক সমৃদ্ধ এমন লবণ বা হজমি খেলে শিশুদের গ্যাস্ট্রিক, আমাশয়, লিভারের ক্ষতি এবং কিডনির নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।

 

​এ অবস্থায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত মাঠে নেমে এসব অবৈধ খাদ্যপণ্যের উৎস খুঁজে বের করা এবং বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও খাদ্য অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতি আকুল আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অভিভাবক ও সুশীল সমাজ।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]