কাউখালী প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালীতে মহাষষ্ঠীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। চলতি বছর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৫টি পূজামণ্ডপে একযোগে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।
এর মধ্যে চারটি পূজামণ্ডপকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ১৫৮ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চারটি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে একজন করে পুলিশ সদস্য ও আটজন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, সাধারণ পূজামণ্ডপগুলোতে প্রতিটিতে ছয়জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি উপজেলার সব পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উপজেলা প্রশাসন ও কাউখালী থানা পুলিশ দফায় দফায় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি ও নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা
আক্তার বলেন, “শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক সভা করেছি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি রোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “প্রতিটি পূজামণ্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছি। ভক্তদের নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি
সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের কাউখালীতে মহাষষ্ঠীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। চলতি বছর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৫টি পূজামণ্ডপে একযোগে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।
এর মধ্যে চারটি পূজামণ্ডপকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ১৫৮ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত চারটি পূজামণ্ডপের প্রতিটিতে একজন করে পুলিশ সদস্য ও আটজন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে, সাধারণ পূজামণ্ডপগুলোতে প্রতিটিতে ছয়জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি উপজেলার সব পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উপজেলা প্রশাসন ও কাউখালী থানা পুলিশ দফায় দফায় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছে। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি ও নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা
আক্তার বলেন, “শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক সভা করেছি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি রোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “প্রতিটি পূজামণ্ডপের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছি। ভক্তদের নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি
সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।