কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :
খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মোঃ আওছাফুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগে "যশোর নিউজ" নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রচারিত ভিডিওর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ওই ভিডিওতে বালু ব্যবসায়ী মোঃ লাভলু শিকারী অভিযোগ করেন, বিএনপি নেতা আওছাফুর ও ফারুক তার কাছ থেকে ১.৫ লাখ টাকার বালু বাকিতে নিয়েছেন এবং টাকা চাইতে গেলে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ২০-৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করেছেন। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা *মোঃ আওছাফুর রহমান*।
তিনি বলেন, "আমি ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বিএনপির পরীক্ষিত সৈনিক। খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ফার্স্ট জয়েন্ট সেক্রেটারি, আমাদী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন করেছি। কখনো চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের সাথে জড়িত ছিলাম না।" আওছাফুর রহমান আরও বলেন, "অভিযোগকারী লাভলু শিকারী বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, এখন ভোল পাল্টে নব্য জামায়াতের সাথে যোগ দিয়েছে। সে গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার বালুর ব্যবসা ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় আমার কাছে বিক্রি করে দেয়।
আমি আমার কেনা আড়তে গেলে সে নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনি বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তার স্ত্রী সদস্য পদে নির্বাচন করবে। এলাকায় তাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজন লাভলুকে দিয়ে এই নাটক সাজিয়েছে। ২০-৩০ লাখ টাকার ক্ষতির গল্প কাল্পনিক। এলাকার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আওছাফুর রহমান সৎ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।
তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন। তিনি এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা মোঃ আওছাফুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগে "যশোর নিউজ" নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রচারিত ভিডিওর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ওই ভিডিওতে বালু ব্যবসায়ী মোঃ লাভলু শিকারী অভিযোগ করেন, বিএনপি নেতা আওছাফুর ও ফারুক তার কাছ থেকে ১.৫ লাখ টাকার বালু বাকিতে নিয়েছেন এবং টাকা চাইতে গেলে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ২০-৩০ লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করেছেন। এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা *মোঃ আওছাফুর রহমান*।
তিনি বলেন, "আমি ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বিএনপির পরীক্ষিত সৈনিক। খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ফার্স্ট জয়েন্ট সেক্রেটারি, আমাদী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন করেছি। কখনো চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের সাথে জড়িত ছিলাম না।" আওছাফুর রহমান আরও বলেন, "অভিযোগকারী লাভলু শিকারী বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল, এখন ভোল পাল্টে নব্য জামায়াতের সাথে যোগ দিয়েছে। সে গত ৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তার বালুর ব্যবসা ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় আমার কাছে বিক্রি করে দেয়।
আমি আমার কেনা আড়তে গেলে সে নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনি বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তার স্ত্রী সদস্য পদে নির্বাচন করবে। এলাকায় তাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজন লাভলুকে দিয়ে এই নাটক সাজিয়েছে। ২০-৩০ লাখ টাকার ক্ষতির গল্প কাল্পনিক। এলাকার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আওছাফুর রহমান সৎ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।
তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন। তিনি এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।