নিজস্ব প্রতিবেদক
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর ফেসবুকে পরিচয়। এরপর দুজনের যোগাযোগ। দীর্ঘ ৬ বছর চুটিয়ে প্রেম।এমন রোমাঞ্চকর প্রেম দুজনের মধ্যে অনেক গভীরে চলে যায়।এরপর তরুনী বিয়ের জন্য লাদেন কে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করেন।কিন্তু লাদেন তরুনীকে শুধু স্বপ্ন দেখায় আর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।লাদেন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি তরুনী ধরে ফেলেন।এরপর তরুনী সরাসরি লাদেন বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে বদরগঞ্জ উপজেলা রাধানগর ইউনিয়ন দিলালপুর দর্জি পাড়া গ্রামে বাসায় চলে আসে। এরপর লাদেনের বাসায় ১৫ দিন থেকে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন তরুনী। তরুনীর নাম সানজিদা। তিনি পার্শ্ববর্তী তারাগঞ্জ
উপজেলার সয়ার ইউনিয়ন বকশিপাড়া গ্রামে জালাল উদ্দীন লালনের মেয়ে।প্রেমিকার আসার খবর পেয়ে লাপাত্তা হয়ে যান প্রেমিক লাদেন। এতে চরম উদ্বেগ আতংক নিয়ে প্রেমিক লাদেন বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন তরুনী।মিথ্যা ভালবাসার ও বিয়ের প্রলোভন দেখানোর অভিযোগে তরুনী পিতা বদরগঞ্জ থানায় লাদেন ও তার পিতা জাহিদুল ইসলাম নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।এদিকে ঐ তরুণীকে এক নজর দেখতে প্রতিদিন উৎসুক নারী পুরুষ লাদেন বাসায় ভীড় জমাচ্ছেন।বৃহস্পতিবার সরজমিনে তরুণী সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাদেনকে তার বাবা মা সরিয়ে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সবসময় মুঠোফোন যোগাযোগ হচ্ছে। আমার সঙ্গে লাদেন ৫ বছর থেকে প্রেম ভালবাসা।আমাদের একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। এখন আমাকে লাদেনকে বিয়ে করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। এ বিষয়ে লাদেনের মা লাভলী বেগম সাংবাদিক কে বলেন,আমার ছেলে কোথায় আছে আমি জানি না।আমার মুঠোফনটি লাদেন নিয়ে গেছে।আমার ছেলেকে খোঁজ করছি।খোঁজ পেলে আমি ঐ তরুনীর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিবো। স্হানীয়
কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমরা ও চাই মেয়েটির সঙ্গে লাদেন বিয়ে হোক।এটা সবচেয়ে ভালো সমাধান পথ। বদরগঞ্জ থানার এসআই আবুল হোসেন বলেন,ছেলেটিকে মুঠোফোন পাওয়া যাচ্ছে না।ভুক্তভোগী কে আইনের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর ফেসবুকে পরিচয়। এরপর দুজনের যোগাযোগ। দীর্ঘ ৬ বছর চুটিয়ে প্রেম।এমন রোমাঞ্চকর প্রেম দুজনের মধ্যে অনেক গভীরে চলে যায়।এরপর তরুনী বিয়ের জন্য লাদেন কে একাধিকবার চাপ সৃষ্টি করেন।কিন্তু লাদেন তরুনীকে শুধু স্বপ্ন দেখায় আর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন।লাদেন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি তরুনী ধরে ফেলেন।এরপর তরুনী সরাসরি লাদেন বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে বদরগঞ্জ উপজেলা রাধানগর ইউনিয়ন দিলালপুর দর্জি পাড়া গ্রামে বাসায় চলে আসে। এরপর লাদেনের বাসায় ১৫ দিন থেকে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন তরুনী। তরুনীর নাম সানজিদা। তিনি পার্শ্ববর্তী তারাগঞ্জ
উপজেলার সয়ার ইউনিয়ন বকশিপাড়া গ্রামে জালাল উদ্দীন লালনের মেয়ে।প্রেমিকার আসার খবর পেয়ে লাপাত্তা হয়ে যান প্রেমিক লাদেন। এতে চরম উদ্বেগ আতংক নিয়ে প্রেমিক লাদেন বাড়িতে দিন কাটাচ্ছেন তরুনী।মিথ্যা ভালবাসার ও বিয়ের প্রলোভন দেখানোর অভিযোগে তরুনী পিতা বদরগঞ্জ থানায় লাদেন ও তার পিতা জাহিদুল ইসলাম নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।এদিকে ঐ তরুণীকে এক নজর দেখতে প্রতিদিন উৎসুক নারী পুরুষ লাদেন বাসায় ভীড় জমাচ্ছেন।বৃহস্পতিবার সরজমিনে তরুণী সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাদেনকে তার বাবা মা সরিয়ে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে সবসময় মুঠোফোন যোগাযোগ হচ্ছে। আমার সঙ্গে লাদেন ৫ বছর থেকে প্রেম ভালবাসা।আমাদের একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। এখন আমাকে লাদেনকে বিয়ে করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। এ বিষয়ে লাদেনের মা লাভলী বেগম সাংবাদিক কে বলেন,আমার ছেলে কোথায় আছে আমি জানি না।আমার মুঠোফনটি লাদেন নিয়ে গেছে।আমার ছেলেকে খোঁজ করছি।খোঁজ পেলে আমি ঐ তরুনীর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিবো। স্হানীয়
কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আমরা ও চাই মেয়েটির সঙ্গে লাদেন বিয়ে হোক।এটা সবচেয়ে ভালো সমাধান পথ। বদরগঞ্জ থানার এসআই আবুল হোসেন বলেন,ছেলেটিকে মুঠোফোন পাওয়া যাচ্ছে না।ভুক্তভোগী কে আইনের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।