লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে এনামুল হাসান (৩৫) নামে মাদক মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, এনামুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত এনামুল হাসান চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী এলাকার মৃত আব্দুর রফিকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। নিহতের ভাই মো.
কামরুল হাসান জানান, প্রায় তিন মাস আগে গাঁজাসহ আটক হওয়ার পর এনামুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এনামুল। তখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৫-অক্টোবর)২০২৬ আদালতে তার জামিনের আবেদন করার কথা ছিল। কামরুল হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে কারাগার থেকে ফোন করে এনামুলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল
উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এনামুল হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে কারাগারের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে এনামুল হাসান (৩৫) নামে মাদক মামলার এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, এনামুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত এনামুল হাসান চুনারুঘাট উপজেলার আমতলী এলাকার মৃত আব্দুর রফিকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। নিহতের ভাই মো.
কামরুল হাসান জানান, প্রায় তিন মাস আগে গাঁজাসহ আটক হওয়ার পর এনামুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। তাকে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এনামুল। তখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৫-অক্টোবর)২০২৬ আদালতে তার জামিনের আবেদন করার কথা ছিল। কামরুল হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে কারাগার থেকে ফোন করে এনামুলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার বিলাল
উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এনামুল হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তাকে কারাগারের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।