ফুলবাড়ী ,দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির চাকরিচ্যুত ১৭১ শ্রমিককে পুনরায় চাকরিতে বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে কয়লা খনির মুল গেটের সামনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শ্রমিকরা
অভিযোগ করেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) চীনা ঠিকাদারের অধীনে কর্মরত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ১৭১ জন শ্রমিককে ২০১৮ সালের ৮ জুন নিয়োগ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার পর গত ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, প্রচলিত শ্রম আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ না করেই তাঁদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসব শ্রমিক পরিবার-পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অবস্থান কর্মসূচি থেকে চাকরিচ্যুত ১৭১ জন শ্রমিককে অবিলম্বে স্ব স্ব কর্মস্থলে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে তাঁদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা। শ্রমিকরা জানান, তাঁদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির চাকরিচ্যুত ১৭১ শ্রমিককে পুনরায় চাকরিতে বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে কয়লা খনির মুল গেটের সামনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শ্রমিকরা
অভিযোগ করেন, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) চীনা ঠিকাদারের অধীনে কর্মরত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ১৭১ জন শ্রমিককে ২০১৮ সালের ৮ জুন নিয়োগ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার পর গত ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, প্রচলিত শ্রম আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ না করেই তাঁদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসব শ্রমিক পরিবার-পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অবস্থান কর্মসূচি থেকে চাকরিচ্যুত ১৭১ জন শ্রমিককে অবিলম্বে স্ব স্ব কর্মস্থলে পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে তাঁদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা। শ্রমিকরা জানান, তাঁদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।