কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন কঁচা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝ নদীতে ভেসে যাওয়া জেলা ইজতেমাগামী ৫০-৬০ জন যাত্রীকে অক্ষত ও নিরাপদে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটায় দিকে 'জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯'-এর মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, বেকুটিয়া সেতুর দক্ষিণে পাঙ্গাশিয়া এলাকায়
ইজতেমাগামী ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে "অজ্ঞাত নামীয়" একটি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীতে বিপাকে পড়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত তৎপরতা শুরু করে নৌ পুলিশ। ট্রলারের চালক আব্দুল হকের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিশ্চিত হওয়া মাত্রই কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরমান হোসেনের নেতৃত্বে নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে "আল্লাহর দান" নামের একটি বিকল্প ট্রলারের ব্যবস্থা করে সকল যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে তাদের নিরাপদে বেকুটিয়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে নির্ধারিত কঁচা নদীর তীরে ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এই আকস্মিক ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীরা নিরাপদে
ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। এ ব্যাপারে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি মোঃ আরমান হোসেন জানান, "জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে কল পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত তখন প্রায় সাড়ে ১১টা। মাঝনদীতে কুয়াশা ও অন্ধকারের মধ্যে যাত্রীদের আকস্মিক এই বিপদে পড়াটা সত্যিই আতঙ্কজনক ছিল। আমরা দ্রুত ট্রলারচালক আব্দুল হকের সাথে যোগাযোগ করে তাদের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করি এবং আমাদের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। পরে বিকল্প আরেকটি ট্রলারের মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের ৫০-৬০ জন ইজতেমাযাত্রীকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার মধ্যে ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দিতে পেরেছি।
আলহামদুলিল্লাহ, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত ৯৯৯-এ কল করার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন কঁচা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝ নদীতে ভেসে যাওয়া জেলা ইজতেমাগামী ৫০-৬০ জন যাত্রীকে অক্ষত ও নিরাপদে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটায় দিকে 'জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯'-এর মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, বেকুটিয়া সেতুর দক্ষিণে পাঙ্গাশিয়া এলাকায়
ইজতেমাগামী ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে "অজ্ঞাত নামীয়" একটি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীতে বিপাকে পড়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত তৎপরতা শুরু করে নৌ পুলিশ। ট্রলারের চালক আব্দুল হকের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিশ্চিত হওয়া মাত্রই কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরমান হোসেনের নেতৃত্বে নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে "আল্লাহর দান" নামের একটি বিকল্প ট্রলারের ব্যবস্থা করে সকল যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে তাদের নিরাপদে বেকুটিয়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে নির্ধারিত কঁচা নদীর তীরে ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এই আকস্মিক ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীরা নিরাপদে
ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। এ ব্যাপারে কাউখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি মোঃ আরমান হোসেন জানান, "জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে কল পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। রাত তখন প্রায় সাড়ে ১১টা। মাঝনদীতে কুয়াশা ও অন্ধকারের মধ্যে যাত্রীদের আকস্মিক এই বিপদে পড়াটা সত্যিই আতঙ্কজনক ছিল। আমরা দ্রুত ট্রলারচালক আব্দুল হকের সাথে যোগাযোগ করে তাদের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করি এবং আমাদের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। পরে বিকল্প আরেকটি ট্রলারের মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের ৫০-৬০ জন ইজতেমাযাত্রীকে সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার মধ্যে ইজতেমা ময়দানে পৌঁছে দিতে পেরেছি।
আলহামদুলিল্লাহ, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত ৯৯৯-এ কল করার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।