মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
রাজশাহীর সাহেববাজারে জাল টাকার নোট দিয়ে স্বর্ণের চেইন আত্মসাতের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঢাকার খিলক্ষেত থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় রাজশাহী ও বগুড়ার দুটি জুয়েলারি দোকান থেকে আত্মসাৎ করা স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাহেববাজারের আশা জুয়েলারি স্টোরে সেনাসদস্য পরিচয়ে গিয়ে স্বর্ণের গয়না কেনার কথা বলেন এক ব্যক্তি। পরে ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি দোকান থেকে আট আনা এক রতি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নেন। চেইনটির দাম ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। মূল্য পরিশোধের জন্য তিনি এক হাজার টাকা মূল্যমানের ১১৫টি নোট দেন। দোকানমালিকের বাবা নোটগুলো যাচাই করে জাল বলে শনাক্ত করেন। এর আগেই চেইন নিয়ে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তি। ঘটনার তদন্তে নেমে গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার খিলক্ষেতের জামতলা মোড় থেকে মোঃ রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মা জুয়েলার্সের মালিক মোঃ রোমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে রাজশাহীর দোকান থেকে নেওয়া চেইনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, একই কৌশলে গত ৬ অক্টোবর বগুড়ার নিউ মার্কেটের তামান্না জুয়েলার্স থেকে ১ লাখ ২২ হাজার টাকার জাল নোট দিয়ে একটি স্বর্ণের চেইন আত্মসাৎ করেন রিয়াজুল। ওই চেইনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে একটি মুঠোফোন ও নগদ ১৪ হাজার ৯৭২ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার রিয়াজুলের বিরুদ্ধে বদরগঞ্জ ও ঢাকার খিলক্ষেত থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরের আগে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#
রাজশাহীর সাহেববাজারে জাল টাকার নোট দিয়ে স্বর্ণের চেইন আত্মসাতের ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঢাকার খিলক্ষেত থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় রাজশাহী ও বগুড়ার দুটি জুয়েলারি দোকান থেকে আত্মসাৎ করা স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাহেববাজারের আশা জুয়েলারি স্টোরে সেনাসদস্য পরিচয়ে গিয়ে স্বর্ণের গয়না কেনার কথা বলেন এক ব্যক্তি। পরে ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি দোকান থেকে আট আনা এক রতি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নেন। চেইনটির দাম ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। মূল্য পরিশোধের জন্য তিনি এক হাজার টাকা মূল্যমানের ১১৫টি নোট দেন। দোকানমালিকের বাবা নোটগুলো যাচাই করে জাল বলে শনাক্ত করেন। এর আগেই চেইন নিয়ে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তি। ঘটনার তদন্তে নেমে গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার খিলক্ষেতের জামতলা মোড় থেকে মোঃ রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মা জুয়েলার্সের মালিক মোঃ রোমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে রাজশাহীর দোকান থেকে নেওয়া চেইনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, একই কৌশলে গত ৬ অক্টোবর বগুড়ার নিউ মার্কেটের তামান্না জুয়েলার্স থেকে ১ লাখ ২২ হাজার টাকার জাল নোট দিয়ে একটি স্বর্ণের চেইন আত্মসাৎ করেন রিয়াজুল। ওই চেইনটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে একটি মুঠোফোন ও নগদ ১৪ হাজার ৯৭২ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার রিয়াজুলের বিরুদ্ধে বদরগঞ্জ ও ঢাকার খিলক্ষেত থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরের আগে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#