মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
শেরপুর জেলা ঝিনাইগাতী সীমান্তবর্তী গাড়ো পাহাড়ে খাবারের সন্ধানে বন্যহাতির দল পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছে। আবার ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির নেশায় উপজেলা, জেলাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও উৎসুক মানুষের উত্ত্যক্তে বিপাকে পরছে বন্যহাতির দল। এতে বাড়ছে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব ও প্রাণহানির সংখ্যা। শেরপুর প্রতিনিধি আরএম সেলিম শাহীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্ট। প্যাকেজ: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় খাবারের খোঁজে পাহাড়ের এক টিলা থেকে আরেক টিলায় ঘুরে বেড়ায় বন্যহাতির পাল। এদিকে তাদের চলাচলের পথে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে কিছু অসাধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিউ ও ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির প্রতিযোগিতায় কিছু তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর বন্যহাতির পিছু নিয়ে মানুষকে উসকানি দিচ্ছে। এমনকি হাতির খুব কাছে গিয়ে পটকা ফাটানো, ঢিল ছোড়া ও নানা ধরনের শব্দ করে তাদের উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে। পরে হাতির আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ হওয়ার দৃশ্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে বন্যহাতিকে বিরক্ত ও উত্তেজিত করার কারণে মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব দিনদিন আরো বিপদ জনক হয়ে উঠছে। এতে একদিকে যেমন হাতির আক্রমণে প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ছে,
অন্যদিকে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এমনকি এসব কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের এই মুহূর্তে থামানো না গেলে এক সময় সীমান্তবর্তী মানুষদের এসব এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। ভক্সপপ:-১ (আক্রমণগ্রস্ত মানুষ এবং এলাকাবাসী) ভক্সপপ:-২ (আক্রমণগ্রস্ত মানুষ) কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতিনিয়তই বন্যহাতির খুব কাছে গিয়ে ভিডিও ধারণ, পাথর ছোড়া বা কোনো ধরনের উসকানি দিতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হচ্ছে। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সট:-এসবি তানভীর আহমেদ, সহকারী বন সংরক্ষক, রাংটিয়া রেঞ্জ, ময়মনসিংহ বনবিভাগ। এদিকে, সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাবাসীদের সচেতন করার জন্য নিয়মিত মাইকিং করা এবং বন্যহাতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
সিংক:-ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা প্রশাসক (ডিসি), শেরপুর। পে-অফ: বন বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৪ সাল থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় ৩৪ জন মানুষের প্রাণ হারানোর পাশাপাশি ৩৩ টি বন্যহাতিরও মৃত্যু হয়েছে। ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির জন্য বন্যহাতির কাছে গিয়ে ভিডিও করা বন্ধ না করলে বাড়তে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি।
তাই হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন করতে প্রশাসন ও বন বিভাগের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
শেরপুর জেলা ঝিনাইগাতী সীমান্তবর্তী গাড়ো পাহাড়ে খাবারের সন্ধানে বন্যহাতির দল পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছে। আবার ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির নেশায় উপজেলা, জেলাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে আশা তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও উৎসুক মানুষের উত্ত্যক্তে বিপাকে পরছে বন্যহাতির দল। এতে বাড়ছে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব ও প্রাণহানির সংখ্যা। শেরপুর প্রতিনিধি আরএম সেলিম শাহীর পাঠানো তথ্য ও চিত্রে বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্ট। প্যাকেজ: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় খাবারের খোঁজে পাহাড়ের এক টিলা থেকে আরেক টিলায় ঘুরে বেড়ায় বন্যহাতির পাল। এদিকে তাদের চলাচলের পথে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে কিছু অসাধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিউ ও ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির প্রতিযোগিতায় কিছু তথাকথিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর বন্যহাতির পিছু নিয়ে মানুষকে উসকানি দিচ্ছে। এমনকি হাতির খুব কাছে গিয়ে পটকা ফাটানো, ঢিল ছোড়া ও নানা ধরনের শব্দ করে তাদের উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে। পরে হাতির আতঙ্কিত ও ক্ষুব্ধ হওয়ার দৃশ্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে বন্যহাতিকে বিরক্ত ও উত্তেজিত করার কারণে মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব দিনদিন আরো বিপদ জনক হয়ে উঠছে। এতে একদিকে যেমন হাতির আক্রমণে প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ছে,
অন্যদিকে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এমনকি এসব কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের এই মুহূর্তে থামানো না গেলে এক সময় সীমান্তবর্তী মানুষদের এসব এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। ভক্সপপ:-১ (আক্রমণগ্রস্ত মানুষ এবং এলাকাবাসী) ভক্সপপ:-২ (আক্রমণগ্রস্ত মানুষ) কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতিনিয়তই বন্যহাতির খুব কাছে গিয়ে ভিডিও ধারণ, পাথর ছোড়া বা কোনো ধরনের উসকানি দিতে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হচ্ছে। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সট:-এসবি তানভীর আহমেদ, সহকারী বন সংরক্ষক, রাংটিয়া রেঞ্জ, ময়মনসিংহ বনবিভাগ। এদিকে, সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকাবাসীদের সচেতন করার জন্য নিয়মিত মাইকিং করা এবং বন্যহাতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
সিংক:-ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা প্রশাসক (ডিসি), শেরপুর। পে-অফ: বন বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৪ সাল থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় ৩৪ জন মানুষের প্রাণ হারানোর পাশাপাশি ৩৩ টি বন্যহাতিরও মৃত্যু হয়েছে। ভাইরাল কনটেন্ট তৈরির জন্য বন্যহাতির কাছে গিয়ে ভিডিও করা বন্ধ না করলে বাড়তে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি।
তাই হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসন করতে প্রশাসন ও বন বিভাগের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।