মিষ্টি চেয়ে বাড়ির ঠিকানা দিলেন ইনফ্লুয়েন্সার, ক্যাশ অন ডেলিভারিতে আসতে লাগলো লাখ টাকার টিভি-ফ্রিজ!

আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬ ০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৬ ০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফলোয়ারদের কাছে আসন্ন দীপাবলি উপলক্ষে ভালোবাসার উপহার হিসেবে কিছুটা মিষ্টি চেয়ে নিজের বাড়ির ঠিকানা প্রকাশ করেছিলেন এক ইনফ্লুয়েন্সার। তবে মিষ্টির বদলে তার কপালে জুটল চরম বিড়ম্বনা। মিষ্টির পার্সেলের জায়গায় 'ক্যাশ অন ডেলিভারি' পদ্ধতিতে বাড়িতে আসতে শুরু করল টিভি, ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিনের মতো অত্যন্ত দামি দামি ইলেকট্রনিক সামগ্রী।

 

অবস্থা মারাত্মক বেগতিক দেখে শেষমেশ ভিডিও বার্তা দিয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্র্যাঙ্ক বা রসিকতা বন্ধের আকুল আবেদন জানিয়েছেন চরম ভোগান্তিতে পড়া সেই যুবক।

 

আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর মাদুরাই শহরে। ভুক্তভোগী ওই ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারের নাম বীরমণি। সম্প্রতি মিষ্টি পাওয়ার আশায় সামাজিকমাধ্যমে নিজের বাসার পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা শেয়ার করেন তিনি। কিন্তু কিছু অনুসারী তার সঙ্গে চরম রসিকতা শুরু করে এবং একে একে দামি গৃহস্থালি সামগ্রী ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার দিয়ে তার ঠিকানায় পাঠাতে থাকে। পার্সেলগুলোর মধ্যে কেবল একটি টেলিভিশনের অর্ডারের মূল্যই ছিল প্রায় ১ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

 

অর্ডারের মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে প্রতি আধ ঘণ্টায় ১৫টির মতো বড় বড় ইলেকট্রনিক সামগ্রীর পার্সেল তার দরজায় এসে পৌঁছাতে থাকে। যেহেতু প্রতিটি অর্ডারই ক্যাশ অন ডেলিভারি ছিল, তাই ডেলিভারি কর্মীরা টাকা পাওয়ার প্রত্যাশায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসে তাকে মূল্য পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকেন। ফলে বীরমণি এবং নিরপরাধ ডেলিভারি কর্মী—উভয়ের জন্যই বিষয়টি চরম মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বীরমণি জানান, এসব অহেতুক ঝামেলার কারণে ডেলিভারি কর্মীদের কাছে তাকে কটু কথা শুনতে হচ্ছে, যা তার জন্য অত্যন্ত অপমানজনক।

 

পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে একটি ভিডিও বার্তায় কান্নাকাটি করে বীরমণি অনুরোধ জানান এসব প্র্যাঙ্ক বন্ধ করার জন্য। তিনি জানান, নিজের কোনো টাকা-পয়সা নেই এবং অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করা সত্ত্বেও অহেতুক লাখ লাখ টাকার পণ্যের দায় তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও একের পর এক ডেলিভারির জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত নিজ শহর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ভিডিওতে জানান হতাশ এই ইনফ্লুয়েন্সার।

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]