স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার মদনে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মানসিক চাপের জেরে শোভা আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের নায়েকপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত শোভা আক্তার ওই এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ে। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, একই এলাকার হাসান মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের সঙ্গে শোভার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ অক্টোবর তারা কেন্দুয়া উপজেলার তাম্বুলীপাড়া এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, পরবর্তী সময়ে শোভা বিয়ের জন্য চাপ দিলে হাসান তাতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে শোভা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতিতে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করে শোভা। পরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তাঁরা ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় শোভাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে মদন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নেত্রকোণার মদনে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট মানসিক চাপের জেরে শোভা আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের নায়েকপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত শোভা আক্তার ওই এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ে। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, একই এলাকার হাসান মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের সঙ্গে শোভার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১১ অক্টোবর তারা কেন্দুয়া উপজেলার তাম্বুলীপাড়া এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, পরবর্তী সময়ে শোভা বিয়ের জন্য চাপ দিলে হাসান তাতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে শোভা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতিতে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করে শোভা। পরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তাঁরা ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় শোভাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে মদন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নেত্রকোণা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।