পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: সাংবাদিক মোস্তফা মিয়া
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরসভার নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিন শ্রমিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আরাজী গঙ্গারামপুর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর ভবনটির নির্মাণকাজের গুণগত মান, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
যেভাবে ঘটল দুর্ঘটনা:
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে ১৩ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। হঠাৎ সাটারিং ভেঙে পড়লে পাঁচজন শ্রমিক নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। স্থানীয় লোকজনও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেন।
নিহত শ্রমিকরা হলেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা আছাদুল হক এবং রংপুর জেলার বাসিন্দা শিহাব। আহতরা হলেন বাবলা মিয়া, লিটন মণ্ডল ও সেলিম মিয়া। তাঁদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আছাদুল হক ও শিহাবকে মৃত ঘোষণা করেন।
পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল সরকার জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা আরও তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী উল বারি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্মাণকাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভিশন ২০২১এর কোনো কর্মকর্তাকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
পৌর সচিব, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রধান মিস্ত্রির দায়িত্ব তদন্তের দাবি
দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব ও ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল কেন? কাজের মান, সাটারিংয়ের নিরাপত্তা, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান এবং প্রকৌশলগত তদারকিতে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি?
এলাকাবাসীর দাবি, পৌরসভার সচিব আব্দুর রহিম, পৌর প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং নির্মাণকাজের প্রধান মিস্ত্রির ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনতে হবে। নির্মাণকাজের অনুমোদিত নকশা, প্রকৌশলগত নির্দেশনা, কাজের মান যাচাইয়ের নথি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করা জরুরি।
তাঁদের মতে, দুর্ঘটনার দায় শুধু একজনের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, তদারকি ও নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের দায়িত্ব আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে। তদন্তে কারও অবহেলা, গাফিলতি কিংবা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাঁচ কোটি টাকার বাজেটসহ প্রকল্পের হিসাব যাচাইয়ের দাবি
স্থানীয়দের বক্তব্যে নির্মাণ প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের দাবি, প্রকল্পের বরাদ্দ, প্রকৃত ব্যয়, ঠিকাদারি চুক্তি, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী এবং কাজের গুণগত মানের নথি যাচাই করতে হবে। প্রকল্পটির বাজেট পাঁচ কোটি টাকা বলে যে তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে, সেটিও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাই করে জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বুয়েট, ডুয়েট অথবা চুয়েটের অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে ভবনটির নির্মাণমান পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, ছাদ ধসের প্রকৃত কারণ নির্ণয় না করে ভবনটির নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
সাইফুল আজাদসহ স্থানীয়দের তদন্তের দাবি
পৌর কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত সাইফুল আজাদসহ স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভবনটির নির্মাণকাজের মান পুনরায় পরীক্ষা এবং দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁরা রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জননেতা মো. সাইফুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, তদন্তে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রধান মিস্ত্রির কারও দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জবাবদিহি নিশ্চিত হোক, প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাক
নির্মাণাধীন একটি সরকারি ভবনে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করে নির্মাণকাজের মান, তদারকি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগাম দোষী সাব্যস্ত না করে, প্রমাণের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরসভার নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিন শ্রমিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আরাজী গঙ্গারামপুর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর ভবনটির নির্মাণকাজের গুণগত মান, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
যেভাবে ঘটল দুর্ঘটনা:
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে ১৩ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। হঠাৎ সাটারিং ভেঙে পড়লে পাঁচজন শ্রমিক নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। স্থানীয় লোকজনও উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেন।
নিহত শ্রমিকরা হলেন গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা আছাদুল হক এবং রংপুর জেলার বাসিন্দা শিহাব। আহতরা হলেন বাবলা মিয়া, লিটন মণ্ডল ও সেলিম মিয়া। তাঁদের উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আছাদুল হক ও শিহাবকে মৃত ঘোষণা করেন।
পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল সরকার জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা আরও তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী উল বারি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্মাণকাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ভিশন ২০২১এর কোনো কর্মকর্তাকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
পৌর সচিব, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রধান মিস্ত্রির দায়িত্ব তদন্তের দাবি
দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব ও ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল কেন? কাজের মান, সাটারিংয়ের নিরাপত্তা, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান এবং প্রকৌশলগত তদারকিতে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে কি?
এলাকাবাসীর দাবি, পৌরসভার সচিব আব্দুর রহিম, পৌর প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং নির্মাণকাজের প্রধান মিস্ত্রির ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনতে হবে। নির্মাণকাজের অনুমোদিত নকশা, প্রকৌশলগত নির্দেশনা, কাজের মান যাচাইয়ের নথি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করা জরুরি।
তাঁদের মতে, দুর্ঘটনার দায় শুধু একজনের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, তদারকি ও নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের দায়িত্ব আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে। তদন্তে কারও অবহেলা, গাফিলতি কিংবা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাঁচ কোটি টাকার বাজেটসহ প্রকল্পের হিসাব যাচাইয়ের দাবি
স্থানীয়দের বক্তব্যে নির্মাণ প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের দাবি, প্রকল্পের বরাদ্দ, প্রকৃত ব্যয়, ঠিকাদারি চুক্তি, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী এবং কাজের গুণগত মানের নথি যাচাই করতে হবে। প্রকল্পটির বাজেট পাঁচ কোটি টাকা বলে যে তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে, সেটিও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথির মাধ্যমে যাচাই করে জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বুয়েট, ডুয়েট অথবা চুয়েটের অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে ভবনটির নির্মাণমান পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, ছাদ ধসের প্রকৃত কারণ নির্ণয় না করে ভবনটির নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
সাইফুল আজাদসহ স্থানীয়দের তদন্তের দাবি
পৌর কাউন্সিলর হিসেবে পরিচিত সাইফুল আজাদসহ স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভবনটির নির্মাণকাজের মান পুনরায় পরীক্ষা এবং দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁরা রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জননেতা মো. সাইফুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, তদন্তে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রধান মিস্ত্রির কারও দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নিহত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জবাবদিহি নিশ্চিত হোক, প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ পাক
নির্মাণাধীন একটি সরকারি ভবনে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করে নির্মাণকাজের মান, তদারকি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আগাম দোষী সাব্যস্ত না করে, প্রমাণের ভিত্তিতে দায় নির্ধারণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।