মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে দেড় ও পাঁচ বছর বয়সী দুই কন্যাশিশুকে সড়কের পাশে রেখে চলে যাওয়ার ঘটনার অবসান হয়েছে। অবশেষে শিশু দুটি তাদের বাবা নূর মোহাম্মদ নাসির আলমের হেফাজতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে। বর্তমানে তারা বাবার কাছেই রয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) শিশু দুটির বাবা নাসির আলম জানান, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি কুমিল্লা থেকে এসে তার ভাবির কাছ থেকে দুই মেয়েকে নিজের হেফাজতে নেন। বর্তমানে তারা তার কাছে ভালো আছে। নাসির আলম বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমার সাবেক স্ত্রী জেসমিনের সঙ্গে কথা হয়। আমি তাকে অনুরোধ করেছিলাম, শুক্রবার পর্যন্ত যেন মেয়েদের তার কাছে রাখে। আমার বাড়িতে মা অসুস্থ থাকায় শুক্রবার এসে মেয়েদের নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলাম।
কিন্তু সে আমার কথা না শুনে শিশু দুটিকে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। খবর পেয়ে কুমিল্লা থেকে এসে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাবির কাছ থেকে মেয়েদের নিজের কাছে নিয়ে আসি। বর্তমানে তারা আমার হেফাজতে নিরাপদে রয়েছে। এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাজার এলাকায় রোজ গার্ডেন মডেল স্কুলসংলগ্ন সড়কে শিশু দুটিকে একা দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শিশু দুটি হলো দেড় বছর বয়সী রোজা ও তার পাঁচ বছর বয়সী বড় বোন ইসরাত। তারা উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের নাল্লা গ্রামের নাসির আলম ও জেসমিন দম্পতির মেয়ে। ১২ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর বয়সী ইসরাত স্থানীয়দের জানায়, তাদের মা চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে সেখানে নিয়ে আসেন। পরে তিনি তাদের রেখে কোথায় যেন চলে যান, আর ফিরে আসেননি।
এ সময় শিশু দুটির পরিচয় শনাক্ত ও স্বজনদের খুঁজে পেতে স্থানীয় কয়েকজন তাদের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও দেখে শিশু দুটির এক চাচি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশু দুটিকে তার জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুদের চাচি জানান, তাদের বাবা নাসির আলম কুমিল্লা নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। আগে তারা কুমিল্লা শহরে বসবাস করতেন। প্রায় চার মাস আগে নাসির ও জেসমিনের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এরপর জেসমিন অন্যত্র বিয়ে করেন বলে জানান তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সামনে শিশুদের চাচি মুঠোফোনে তাদের মা জেসমিনের সঙ্গে কথা বলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় জেসমিন জানান, তিনি ইচ্ছা করেই শিশু দুটিকে সেখানে রেখে গেছেন এবং তাদের আর ফিরিয়ে নেবেন না। ঘটনার পর শিশু দুটির ভবিষ্যৎ ও দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত বাবার হেফাজতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে তারা।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে দেড় ও পাঁচ বছর বয়সী দুই কন্যাশিশুকে সড়কের পাশে রেখে চলে যাওয়ার ঘটনার অবসান হয়েছে। অবশেষে শিশু দুটি তাদের বাবা নূর মোহাম্মদ নাসির আলমের হেফাজতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে। বর্তমানে তারা বাবার কাছেই রয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) শিশু দুটির বাবা নাসির আলম জানান, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি কুমিল্লা থেকে এসে তার ভাবির কাছ থেকে দুই মেয়েকে নিজের হেফাজতে নেন। বর্তমানে তারা তার কাছে ভালো আছে। নাসির আলম বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমার সাবেক স্ত্রী জেসমিনের সঙ্গে কথা হয়। আমি তাকে অনুরোধ করেছিলাম, শুক্রবার পর্যন্ত যেন মেয়েদের তার কাছে রাখে। আমার বাড়িতে মা অসুস্থ থাকায় শুক্রবার এসে মেয়েদের নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলাম।
কিন্তু সে আমার কথা না শুনে শিশু দুটিকে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। খবর পেয়ে কুমিল্লা থেকে এসে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাবির কাছ থেকে মেয়েদের নিজের কাছে নিয়ে আসি। বর্তমানে তারা আমার হেফাজতে নিরাপদে রয়েছে। এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাজার এলাকায় রোজ গার্ডেন মডেল স্কুলসংলগ্ন সড়কে শিশু দুটিকে একা দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শিশু দুটি হলো দেড় বছর বয়সী রোজা ও তার পাঁচ বছর বয়সী বড় বোন ইসরাত। তারা উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের নাল্লা গ্রামের নাসির আলম ও জেসমিন দম্পতির মেয়ে। ১২ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর বয়সী ইসরাত স্থানীয়দের জানায়, তাদের মা চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে সেখানে নিয়ে আসেন। পরে তিনি তাদের রেখে কোথায় যেন চলে যান, আর ফিরে আসেননি।
এ সময় শিশু দুটির পরিচয় শনাক্ত ও স্বজনদের খুঁজে পেতে স্থানীয় কয়েকজন তাদের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও দেখে শিশু দুটির এক চাচি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশু দুটিকে তার জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুদের চাচি জানান, তাদের বাবা নাসির আলম কুমিল্লা নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। আগে তারা কুমিল্লা শহরে বসবাস করতেন। প্রায় চার মাস আগে নাসির ও জেসমিনের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এরপর জেসমিন অন্যত্র বিয়ে করেন বলে জানান তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সামনে শিশুদের চাচি মুঠোফোনে তাদের মা জেসমিনের সঙ্গে কথা বলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় জেসমিন জানান, তিনি ইচ্ছা করেই শিশু দুটিকে সেখানে রেখে গেছেন এবং তাদের আর ফিরিয়ে নেবেন না। ঘটনার পর শিশু দুটির ভবিষ্যৎ ও দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত বাবার হেফাজতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে তারা।