নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সম্পত্তির ভাগ না পেয়ে বাবার জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনার অবশেষে অবসান হয়েছে। ভাইয়ের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার দাফনে সম্মতি দিয়েছেন মেয়ে হালিমা বেওয়া। পরে জানাজা শেষে বাবার মরদেহের দাফন হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নম্ব ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার। জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে, সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বাবার জানাজায় বাধা দেন মেয়ে হালিমা বেওয়া (৫০)। এতে নির্ধারিত সময় সকাল ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা আটকে যায় এবং বাবার মরদেহ দীর্ঘ সময় বাড়ির উঠানে পড়ে থাকে। পরে বিকেল ৫টার দিকে জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা হয়। সেখানে বোন হালিমা বেগমকে দেড় লাখ টাকার একটি চেক সই করে দেন ভাই ইদ্রিস আলী। পরে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। আরও পড়ুন সম্পত্তির জন্য বাবার
জানাজা আটকে দিল মেয়ে, লাশ পড়ে আছে উঠানে বিজ্ঞাপন ধাপেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (আইসি) এস্তেখার হাসান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই ঘটনায় তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, হালিমা বেওয়া দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার জানাজা ও মরদেহ দাফনে অনুমতি দিয়েছে। বিবাদের মীমাংসা হয়েছে, মরদেহ দাফন হয়েছে। প্রসঙ্গত, সাদুল্লাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের কৃষক নাজির উদ্দিনের বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল রোববার বিকেল ৩টার দিকে মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজার সময় নির্ধারণ করা হলে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে উপস্থিত হন। তবে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বিরোধের জেরে জানাজায় বাধা দেন বৃদ্ধের মেয়ে হালিমা। হালিমার অভিযোগ, তার বাবা বেঁচে থাকতে কৌশলে জমি লিখে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে সম্পত্তির ভাগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
নিজের ভাগের এক বিঘা জমি বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত বাবার জানাজা হতে দেবেন না বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, নাজির উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলীর দাবি, তার বাবা জীবদ্দশায় স্বেচ্ছায় তাকে জমি লিখে দিয়েছেন। ওই সম্পত্তিতে বোনের কোনো ভাগ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে জানাজায় অংশ নিতে আসা স্থানীয় লোকজন কয়েক দফায় সমঝোতার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। ফলে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাড়ির উঠানেই পড়ে ছিল নাজির উদ্দিনের মরদেহ। মাসুম বিল্লাহ/এসএইচএ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সম্পত্তির ভাগ না পেয়ে বাবার জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনার অবশেষে অবসান হয়েছে। ভাইয়ের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার দাফনে সম্মতি দিয়েছেন মেয়ে হালিমা বেওয়া। পরে জানাজা শেষে বাবার মরদেহের দাফন হয়।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নম্ব ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার। জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে, সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বাবার জানাজায় বাধা দেন মেয়ে হালিমা বেওয়া (৫০)। এতে নির্ধারিত সময় সকাল ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা আটকে যায় এবং বাবার মরদেহ দীর্ঘ সময় বাড়ির উঠানে পড়ে থাকে। পরে বিকেল ৫টার দিকে জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা হয়। সেখানে বোন হালিমা বেগমকে দেড় লাখ টাকার একটি চেক সই করে দেন ভাই ইদ্রিস আলী। পরে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। আরও পড়ুন সম্পত্তির জন্য বাবার
জানাজা আটকে দিল মেয়ে, লাশ পড়ে আছে উঠানে বিজ্ঞাপন ধাপেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (আইসি) এস্তেখার হাসান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই ঘটনায় তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. রওশন আক্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, হালিমা বেওয়া দেড় লাখ টাকার চেক বুঝে নিয়ে বাবার জানাজা ও মরদেহ দাফনে অনুমতি দিয়েছে। বিবাদের মীমাংসা হয়েছে, মরদেহ দাফন হয়েছে। প্রসঙ্গত, সাদুল্লাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের কৃষক নাজির উদ্দিনের বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল রোববার বিকেল ৩টার দিকে মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজার সময় নির্ধারণ করা হলে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা বাড়িতে উপস্থিত হন। তবে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বিরোধের জেরে জানাজায় বাধা দেন বৃদ্ধের মেয়ে হালিমা। হালিমার অভিযোগ, তার বাবা বেঁচে থাকতে কৌশলে জমি লিখে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে সম্পত্তির ভাগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
নিজের ভাগের এক বিঘা জমি বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত বাবার জানাজা হতে দেবেন না বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, নাজির উদ্দিনের ছেলে ইদ্রিস আলীর দাবি, তার বাবা জীবদ্দশায় স্বেচ্ছায় তাকে জমি লিখে দিয়েছেন। ওই সম্পত্তিতে বোনের কোনো ভাগ নেই বলেও দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে জানাজায় অংশ নিতে আসা স্থানীয় লোকজন কয়েক দফায় সমঝোতার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। ফলে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাড়ির উঠানেই পড়ে ছিল নাজির উদ্দিনের মরদেহ। মাসুম বিল্লাহ/এসএইচএ