নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড’। ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের আসর। আর এতে সেরা ড্রামার হিসেবে পুরস্কার পেলেন ডিকিউ মিথুন। এ প্রাপ্তিতে ভীষণ উচ্ছ্বসিত তিনি। মিথুন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে এই পুরস্কার অনুষ্ঠিত হচ্ছে,
আমেরিকার মতো দেশে। বলতে গেলে, শৈশবেই আমার মনে স্বপ্ন জেগেছিল, কবে এই পুরস্কার পাবো! চট্টগ্রাম থেকে উঠে এসে ঢাকায়, আর এখন যুক্তরাষ্ট্রে এসে সেরা ড্রামারের পুরস্কার পেলাম; এটা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। আমার অনেক বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’ আরও পড়ুন হঠাৎ একা হয়ে গেলে ভয় পেয়ো না : পূজা ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে ‘সেরা মেলোডি সিঙ্গার’ রন্টি দাশ ইমরানের মার্কিন ভক্ত, বাংলায় গাইলেন শিল্পীর গান ব্যান্ডের তীর্থভূমি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিথুনের। তিনি যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন, সে সময়ে সংগীতে হাতেখড়ি। প্রথমে স্থানীয় কিছু ব্যান্ডে বাজিয়েছেন। পরে ২০১১ সালে ‘নেসক্যাফে গেটসেট রক’ প্রতিযোগিতায় ড্রামার হিসেবে তৃতীয় হয়েছিলেন মিথুন। সেই উৎসাহ নিয়ে ২০১২-তে ঢাকায় পুরোদমে মিউজিক শুরু করেন তিনি। একে একে কুমার বিশ্বজিৎ, তাহসান খান, জয় শাহরিয়ার, মিলা, পারভেজসহ অনেক জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে নিয়মিত ড্রাম বাজিয়েছেন।
মিথুন বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন চ্যানেল মিলিয়ে প্রায় সাতশর বেশি লাইভ অনুষ্ঠান এবং প্রায় দুই হাজার কনসার্টে ড্রামস বাজিয়েছি।’ পুরস্কার গ্রহণ করছিলেন মিথুন এই ড্রামসের সুবাদেই ২০২৪-এর মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন মিথুন। সেখানেও এই সংগীতের পথচলা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। মূলত একজন সেশন প্লেয়ার মিথুন। ফলে অনেক শিল্পীর সঙ্গেই ড্রামস বাজিয়েছেন তিনি। খুরশীদ আলম, পান্থ কানাই, পথিক নবী, শফি মণ্ডল, রন্টি দাস, হাসান (আর্ক), সামিনা চৌধুরী, রিংকু, রেশমি মির্জাসহ অনেক শিল্পীর সঙ্গে সেশন প্লেয়ার হিসেবে ড্রামস বাজিয়েছেন এই শিল্পী। মিথুন বলেন, ‘এই যুক্তরাষ্ট্রেও নিয়মিত ড্রামস বাজিয়ে যাচ্ছে আমার দিন। দেশের বড় বড় শিল্পীদের অনুষ্ঠানে বাজাচ্ছি। দেশ ছেড়ে এলেও মিউজিক বা ড্রামস আমার সঙ্গেই আছে।’ কুমার বিশ্বজিতের সঙ্গে কনসার্টে বাজাচ্ছেন ডিকিউ মিথুন সংগীত নিয়ে একটি স্বপ্নও রয়েছে মিথুনের। আমেরিকায় বাঙালি জনগোষ্ঠীর জন্য একটা মিউজিক স্কুল চালু করবেন তিনি। যাতে দেশের সংগীত-সংস্কৃতির সঙ্গে সেখানকার শিশুরা বেড়ে উঠতে পারে।
মিথুন বলেন, ‘মিউজিকই আমার ধ্যানজ্ঞান। সংগীত নিয়ে অনেকদূর যেতে চাই। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করতে চাই, সেটার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি। বিস্তারিত এখনই বলছি না। এটুকুই বলতে পারি, এমন কিছু কাজ করব, যেটার মাধ্যমে আমার দেশ ও আমার শহর চট্টগ্রামের নাম উজ্জ্বল হবে।’
দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড’। ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের আসর। আর এতে সেরা ড্রামার হিসেবে পুরস্কার পেলেন ডিকিউ মিথুন। এ প্রাপ্তিতে ভীষণ উচ্ছ্বসিত তিনি। মিথুন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে এই পুরস্কার অনুষ্ঠিত হচ্ছে,
আমেরিকার মতো দেশে। বলতে গেলে, শৈশবেই আমার মনে স্বপ্ন জেগেছিল, কবে এই পুরস্কার পাবো! চট্টগ্রাম থেকে উঠে এসে ঢাকায়, আর এখন যুক্তরাষ্ট্রে এসে সেরা ড্রামারের পুরস্কার পেলাম; এটা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। আমার অনেক বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’ আরও পড়ুন হঠাৎ একা হয়ে গেলে ভয় পেয়ো না : পূজা ঢালিউড অ্যাওয়ার্ডে ‘সেরা মেলোডি সিঙ্গার’ রন্টি দাশ ইমরানের মার্কিন ভক্ত, বাংলায় গাইলেন শিল্পীর গান ব্যান্ডের তীর্থভূমি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিথুনের। তিনি যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন, সে সময়ে সংগীতে হাতেখড়ি। প্রথমে স্থানীয় কিছু ব্যান্ডে বাজিয়েছেন। পরে ২০১১ সালে ‘নেসক্যাফে গেটসেট রক’ প্রতিযোগিতায় ড্রামার হিসেবে তৃতীয় হয়েছিলেন মিথুন। সেই উৎসাহ নিয়ে ২০১২-তে ঢাকায় পুরোদমে মিউজিক শুরু করেন তিনি। একে একে কুমার বিশ্বজিৎ, তাহসান খান, জয় শাহরিয়ার, মিলা, পারভেজসহ অনেক জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে নিয়মিত ড্রাম বাজিয়েছেন।
মিথুন বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন চ্যানেল মিলিয়ে প্রায় সাতশর বেশি লাইভ অনুষ্ঠান এবং প্রায় দুই হাজার কনসার্টে ড্রামস বাজিয়েছি।’ পুরস্কার গ্রহণ করছিলেন মিথুন এই ড্রামসের সুবাদেই ২০২৪-এর মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন মিথুন। সেখানেও এই সংগীতের পথচলা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। মূলত একজন সেশন প্লেয়ার মিথুন। ফলে অনেক শিল্পীর সঙ্গেই ড্রামস বাজিয়েছেন তিনি। খুরশীদ আলম, পান্থ কানাই, পথিক নবী, শফি মণ্ডল, রন্টি দাস, হাসান (আর্ক), সামিনা চৌধুরী, রিংকু, রেশমি মির্জাসহ অনেক শিল্পীর সঙ্গে সেশন প্লেয়ার হিসেবে ড্রামস বাজিয়েছেন এই শিল্পী। মিথুন বলেন, ‘এই যুক্তরাষ্ট্রেও নিয়মিত ড্রামস বাজিয়ে যাচ্ছে আমার দিন। দেশের বড় বড় শিল্পীদের অনুষ্ঠানে বাজাচ্ছি। দেশ ছেড়ে এলেও মিউজিক বা ড্রামস আমার সঙ্গেই আছে।’ কুমার বিশ্বজিতের সঙ্গে কনসার্টে বাজাচ্ছেন ডিকিউ মিথুন সংগীত নিয়ে একটি স্বপ্নও রয়েছে মিথুনের। আমেরিকায় বাঙালি জনগোষ্ঠীর জন্য একটা মিউজিক স্কুল চালু করবেন তিনি। যাতে দেশের সংগীত-সংস্কৃতির সঙ্গে সেখানকার শিশুরা বেড়ে উঠতে পারে।
মিথুন বলেন, ‘মিউজিকই আমার ধ্যানজ্ঞান। সংগীত নিয়ে অনেকদূর যেতে চাই। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করতে চাই, সেটার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছি। বিস্তারিত এখনই বলছি না। এটুকুই বলতে পারি, এমন কিছু কাজ করব, যেটার মাধ্যমে আমার দেশ ও আমার শহর চট্টগ্রামের নাম উজ্জ্বল হবে।’