নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনার দাকোপের বটবুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ঢাকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১৩টি পরিবার। প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল ও মাছের ঘের। রোববার (১১ অক্টোবর) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩১ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন বটবুনিয়া বাজার এলাকায় এ ভাঙন দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, মুহূর্তেই প্রায় ৫০ মিটার ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ঢাকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের কবলে পড়ে বাস্তুচ্যুত হয় সেখানে বসবাসকারী ১৩টি পরিবার। ভাঙনকবলিত এলাকার যদুবর সরদার, নিরঞ্জন সরদার, কৃষ্ণপদ সরদার, প্রশান্ত সরদার, অজিত সরদার, লকেশ সরদার, গোপাল সরদার, গোবিন্দ সরদার, শেখর সরদার, পরিতোষ সরদার, সূর্যকান্ত সরদার, নীলু সরদার ও প্রদীপ সরদারের পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকটা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। ক্ষতিগ্রস্তরা ঘরের মালামাল সরিয়ে পাশের বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে। তারা বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে ৩১ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন তিলডাঙ্গা ও পানখালী ইউনিয়ন এবং চালনা পৌর এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির আমন ফসল পানিতে তলিয়ে যাবে। ভেসে যাবে শত শত মাছের ঘের ও পুকুর।
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কৃষিজমি ও সবজির আবাদেও। প্রত্যক্ষদর্শী দীপংকর বিশ্বাস বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার চোখের সামনে কয়েক মিনিটের মধ্যে বাঁধে ধস নামে এবং তা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। খবর পেয়ে পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (খুলনা) মধুসূদন পাল, উপসহকারী প্রকৌশলী তৌফিকুজ্জামান ও নয়ন আলী ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা জিও ব্যাগ ফেলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধের উদ্যোগ নেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বৃহৎ এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ বিষয়ে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দীন মিঠু জানান, প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার দেওয়া হবে।
পরবর্তী সময়ে তাদের পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান জানান, সেখানে কর্মরত ঠিকাদারকে যেকোনো মূল্যে এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্প বাঁধ নির্মান করতে সক্ষম হব।
খুলনার দাকোপের বটবুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ঢাকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ঘটনায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১৩টি পরিবার। প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে হাজার হাজার বিঘা জমির ফসল ও মাছের ঘের। রোববার (১১ অক্টোবর) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩১ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন বটবুনিয়া বাজার এলাকায় এ ভাঙন দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, মুহূর্তেই প্রায় ৫০ মিটার ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ঢাকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনের কবলে পড়ে বাস্তুচ্যুত হয় সেখানে বসবাসকারী ১৩টি পরিবার। ভাঙনকবলিত এলাকার যদুবর সরদার, নিরঞ্জন সরদার, কৃষ্ণপদ সরদার, প্রশান্ত সরদার, অজিত সরদার, লকেশ সরদার, গোপাল সরদার, গোবিন্দ সরদার, শেখর সরদার, পরিতোষ সরদার, সূর্যকান্ত সরদার, নীলু সরদার ও প্রদীপ সরদারের পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকটা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। ক্ষতিগ্রস্তরা ঘরের মালামাল সরিয়ে পাশের বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে। তারা বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে ৩১ নম্বর পোল্ডারের আওতাধীন তিলডাঙ্গা ও পানখালী ইউনিয়ন এবং চালনা পৌর এলাকার হাজার হাজার বিঘা জমির আমন ফসল পানিতে তলিয়ে যাবে। ভেসে যাবে শত শত মাছের ঘের ও পুকুর।
ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কৃষিজমি ও সবজির আবাদেও। প্রত্যক্ষদর্শী দীপংকর বিশ্বাস বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার চোখের সামনে কয়েক মিনিটের মধ্যে বাঁধে ধস নামে এবং তা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। খবর পেয়ে পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (খুলনা) মধুসূদন পাল, উপসহকারী প্রকৌশলী তৌফিকুজ্জামান ও নয়ন আলী ঘটনাস্থলে আসেন। তাঁরা জিও ব্যাগ ফেলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধের উদ্যোগ নেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বৃহৎ এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ বিষয়ে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বোরহান উদ্দীন মিঠু জানান, প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার দেওয়া হবে।
পরবর্তী সময়ে তাদের পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান জানান, সেখানে কর্মরত ঠিকাদারকে যেকোনো মূল্যে এলাকা প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্প বাঁধ নির্মান করতে সক্ষম হব।