ভালুকা প্রতিনিধিঃ-
ময়মনসিংহের ভালুকায় স্কুল শিক্ষকের উপর হামলা ও তার শিশু সন্তানকে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভরাডোবা কাচাবাজার এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) সকালে নিশিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ খানের কন্যা মিসরাত খানম নেন্সি (৮) ও একই এলাকার পারভীন আক্তারের ছেলে রুহানের (৮) এর মধ্যে খেলাধুলা করার সময় ঝগড়া বাদে। পরে মোস্তাক আহম্মেদ খান ঝগড়া থামাইতে গেলে মোঃ রেদুয়ান (২০) মোস্তাক আহম্মেদ খানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং ভয়ভিতি প্রদর্শন করে।
পরে শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে মোস্তাক আহম্মেদ শিশু নেন্সির প্রাইভেট পড়া শেষ হলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভরাডোবা হাইস্কুল রোড কাচাবাজারে পৌছা মাত্র একদল সন্ত্রাসী মোস্তাক আহম্মেদ খানের উপর অতর্কিত হামলা করে। এসময় লোহার রড ও লাঠির আঘাতে মোস্তাক আহম্মেদের কানের পর্দা ফেটে যায় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় শাকিল (২৫) মোস্তাক আহম্মেদ এর বুকের উপর উঠে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় স্বজোরে চাপিয়া ধরে। তখন মোস্তাক আহম্মেদ কোনমতে তার হাত দিয়ে গলা থেকে শাকিলের হাত ফসকাতে সক্ষম হয়। এমন সময় বিবাদীরা মোস্তাক আহম্মেদ এর শিশু কন্যা নেন্সি কে অজ্ঞাতনামা গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণের চেষ্টা করে। এমন সময় মোস্তাক আহম্মেদ এর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে বিবাদীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মোস্তাক আহম্মেদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে মোস্তাক আহম্মেদ এর স্ত্রী নিরান আকতার বাদী হয়ে শাকিল আহমেদ (২৫), মোঃ রেদুয়ান (২০), পারভীন আক্তার (৪২) ও মোঃ রোমান (২৮) কে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভালুকা মডেল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছি মামলা রজু ও আসামী গ্রেপ্তারের কাজ প্রকৃয়াধীন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় স্কুল শিক্ষকের উপর হামলা ও তার শিশু সন্তানকে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভরাডোবা কাচাবাজার এলাকায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) সকালে নিশিন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ খানের কন্যা মিসরাত খানম নেন্সি (৮) ও একই এলাকার পারভীন আক্তারের ছেলে রুহানের (৮) এর মধ্যে খেলাধুলা করার সময় ঝগড়া বাদে। পরে মোস্তাক আহম্মেদ খান ঝগড়া থামাইতে গেলে মোঃ রেদুয়ান (২০) মোস্তাক আহম্মেদ খানকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং ভয়ভিতি প্রদর্শন করে।
পরে শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে মোস্তাক আহম্মেদ শিশু নেন্সির প্রাইভেট পড়া শেষ হলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভরাডোবা হাইস্কুল রোড কাচাবাজারে পৌছা মাত্র একদল সন্ত্রাসী মোস্তাক আহম্মেদ খানের উপর অতর্কিত হামলা করে। এসময় লোহার রড ও লাঠির আঘাতে মোস্তাক আহম্মেদের কানের পর্দা ফেটে যায় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় শাকিল (২৫) মোস্তাক আহম্মেদ এর বুকের উপর উঠে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় স্বজোরে চাপিয়া ধরে। তখন মোস্তাক আহম্মেদ কোনমতে তার হাত দিয়ে গলা থেকে শাকিলের হাত ফসকাতে সক্ষম হয়। এমন সময় বিবাদীরা মোস্তাক আহম্মেদ এর শিশু কন্যা নেন্সি কে অজ্ঞাতনামা গাড়িতে উঠিয়ে অপহরণের চেষ্টা করে। এমন সময় মোস্তাক আহম্মেদ এর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে বিবাদীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মোস্তাক আহম্মেদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে মোস্তাক আহম্মেদ এর স্ত্রী নিরান আকতার বাদী হয়ে শাকিল আহমেদ (২৫), মোঃ রেদুয়ান (২০), পারভীন আক্তার (৪২) ও মোঃ রোমান (২৮) কে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভালুকা মডেল থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছি মামলা রজু ও আসামী গ্রেপ্তারের কাজ প্রকৃয়াধীন।