বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরে বদরগঞ্জ উপজেলা মধুপুর ইউনিয়ন উত্তর বাওচন্ডির কচুয়াপাড়া গ্রামে এক ব্যাক্তির মালিকানা জমিতে লাগানো ইউক্যালিপটাসের বিশাল আকারে ৫ টি গাছ কর্তন অভিযোগ উঠেছে।এঘটনায় সালমা বেগম থানায় গাছ কর্তন অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযুক্তরা হলেন,বাদশা
মিয়া,জামাল,শাকিল,মনজুর,রহমান,মুরাদ,মাহাফুজ,মতলুবার।রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কচুয়াপাড়া গ্রামে সালমা বেগম পিতা সামসুল হকের ৯ শতক জমি নিজেদের দাবি করে সেখানে লাগানো ইউক্যালিপটাস গাছ সকালে অভিযুক্তরা কেটে ভ্যানে নিয়ে যান।গাছ কাটার খবর পেয়ে সালমা বেগম ও তার বাবা,মা,ও তার ভাই সেখানে গিয়ে গাছ কাটতে নিষেধ করলে বিবাদীরা তাদের গালিগালাজসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি ভয়ভীতি করেন বলে এই মর্মে অভিযোগ তো্লেন ভুক্তভোগী। কচুয়াপাড়া গ্রামের আদূরী বেগম বলেন,গাছ কাঁটার কথা সত্যি। রবিবার সকালে আমার সামনে বাদশা,জামাল ও তার লোকজন জোরপূর্বক ভাবে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই ব্যাক্তি বলেন,ঐ ৯ শতক জমির পৈতৃক সূত্রে সালমা বেগম পিত সামসুল হক মানিক ।কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় দখল নিতে পারছেন না। অভিযোগ অস্বীকার করে বিবাদী,বাদশা,রহমান,বলেন আমাদের জমির লাগানো গাছ কেটেছি।তাদের কি সমস্যা।ওখানে সামসুল হকের কোন জমি নেই।
সব জমি ১৯৯৪ সালে সামসুল হক বিক্রি করে দেন মোসলেম মিয়ার কাছে।এখন তারা কোন মূলে ঐ জমি দাবি করেন। বদরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক এএসআই আজিজুল হক বলেন,অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যেয়ে তদন্ত করে দু'পক্ষকে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।
রংপুরে বদরগঞ্জ উপজেলা মধুপুর ইউনিয়ন উত্তর বাওচন্ডির কচুয়াপাড়া গ্রামে এক ব্যাক্তির মালিকানা জমিতে লাগানো ইউক্যালিপটাসের বিশাল আকারে ৫ টি গাছ কর্তন অভিযোগ উঠেছে।এঘটনায় সালমা বেগম থানায় গাছ কর্তন অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযুক্তরা হলেন,বাদশা
মিয়া,জামাল,শাকিল,মনজুর,রহমান,মুরাদ,মাহাফুজ,মতলুবার।রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কচুয়াপাড়া গ্রামে সালমা বেগম পিতা সামসুল হকের ৯ শতক জমি নিজেদের দাবি করে সেখানে লাগানো ইউক্যালিপটাস গাছ সকালে অভিযুক্তরা কেটে ভ্যানে নিয়ে যান।গাছ কাটার খবর পেয়ে সালমা বেগম ও তার বাবা,মা,ও তার ভাই সেখানে গিয়ে গাছ কাটতে নিষেধ করলে বিবাদীরা তাদের গালিগালাজসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি ভয়ভীতি করেন বলে এই মর্মে অভিযোগ তো্লেন ভুক্তভোগী। কচুয়াপাড়া গ্রামের আদূরী বেগম বলেন,গাছ কাঁটার কথা সত্যি। রবিবার সকালে আমার সামনে বাদশা,জামাল ও তার লোকজন জোরপূর্বক ভাবে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই ব্যাক্তি বলেন,ঐ ৯ শতক জমির পৈতৃক সূত্রে সালমা বেগম পিত সামসুল হক মানিক ।কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় দখল নিতে পারছেন না। অভিযোগ অস্বীকার করে বিবাদী,বাদশা,রহমান,বলেন আমাদের জমির লাগানো গাছ কেটেছি।তাদের কি সমস্যা।ওখানে সামসুল হকের কোন জমি নেই।
সব জমি ১৯৯৪ সালে সামসুল হক বিক্রি করে দেন মোসলেম মিয়ার কাছে।এখন তারা কোন মূলে ঐ জমি দাবি করেন। বদরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক এএসআই আজিজুল হক বলেন,অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যেয়ে তদন্ত করে দু'পক্ষকে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।