মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
সংবাদের সত্যতা খোঁজা, প্রতিদিনের দ্রুতগতির খবরের পেছনে ছোটা আর জীবনের যান্ত্রিকতার মাঝে একটুখানি স্বস্তির নিঃশ্বাস এই ছিল তাঁদের দীর্ঘদিনের চাওয়া। অবশেষে দৈনন্দিনের সমস্ত ব্যস্ততা আর ক্লান্তি পিছে ফেলে প্রকৃতি ও পরম করুণাময়ের সান্নিধ্যে তিন দিনের এক
আনন্দমুখর দিন কাটিয়ে এলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের একঝাঁক সংবাদকর্মী। গত বৃহস্পতিবার রাতের আঁধার চিরে শুরু হয় তাঁদের এই স্মৃতিময় পথচলা, যা শেষ হয় গত রবিবার। পরম করুণাময়ের দরবারে শোকরিয়া জানিয়ে সিলেটের পুণ্যভূমি হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.)-এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় তাঁদের তিন দিনব্যাপী এই আনন্দ ভ্রমণের। পরদিন সকালে সাংবাদিকেরা ছুটে যান প্রকৃতির অপার বিস্ময় ভোলাগঞ্জের সাদা পাথরে। সেখানকার হিমশীতল পানি আর পাথুরে সৌন্দর্য তাঁদের সব ক্লান্তি ধুয়েমুছে দেয়। এরপর যাত্রাবিরতি নয়, একের পর এক ঘুরে দেখেন প্রকৃতির নানা রূপ—সুনামগঞ্জের নীল জলের টাঙ্গুয়ার হাওর, মেঘালয়ের কোলঘেঁষা দৃষ্টিনন্দন নিলাদ্রি লেক এবং পাহাড়ি ঝরনার লাকমাছাড়া। ভ্রমণের শেষভাগে ‘চায়ের দেশ’ শ্রীমঙ্গলের রূপসী চা-বাগানের সবুজ গালিচায় যেন হারিয়ে যান তাঁরা। সাংবাদিকেরা তাঁদের আবেগ অনুভূতি
প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, প্রতিদিন সংবাদের পেছনে ছুটে চলা আমাদের এই জীবনে এ যেন এক টুকরো বিশুদ্ধ বাতাস। এই তিন দিন আমরা পেশাগত চাপ ভুলে আবার শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম। প্রকৃতির এত কাছাকাছি এসে নিজেদের আবার নতুন করে রিচার্জ করে নিলাম। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই আনন্দ ভ্রমণে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম খান এবং সার্বিক পরিচালনা ও সমন্বয় করেন সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল নয়ন। প্রকৃতি ও বন্ধুত্বের এই বন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সৌরভ মাহমুদ হারুন ও মো. ইউনুস মিয়া, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক অপু খান চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ও রেজাউল হক শাকিল, প্রচার সম্পাদক গাজী মোস্তফা কামাল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আতিকুর ইসলাম রাজু এবং সদস্য দেলোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে।
আনন্দ ভ্রমণ শেষে আবার নিজ কর্মস্থলে ফেরা, তবে সঙ্গে নিয়ে আসা সিলেট-সুনামগঞ্জের পাহাড়, জল আর সবুজের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো যা ব্রাহ্মণপাড়ার এই কলম সৈনিকদের পেশাগত জীবনের আগামী দিনগুলোতে প্রেরণা হয়ে থাকবে।
সংবাদের সত্যতা খোঁজা, প্রতিদিনের দ্রুতগতির খবরের পেছনে ছোটা আর জীবনের যান্ত্রিকতার মাঝে একটুখানি স্বস্তির নিঃশ্বাস এই ছিল তাঁদের দীর্ঘদিনের চাওয়া। অবশেষে দৈনন্দিনের সমস্ত ব্যস্ততা আর ক্লান্তি পিছে ফেলে প্রকৃতি ও পরম করুণাময়ের সান্নিধ্যে তিন দিনের এক
আনন্দমুখর দিন কাটিয়ে এলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের একঝাঁক সংবাদকর্মী। গত বৃহস্পতিবার রাতের আঁধার চিরে শুরু হয় তাঁদের এই স্মৃতিময় পথচলা, যা শেষ হয় গত রবিবার। পরম করুণাময়ের দরবারে শোকরিয়া জানিয়ে সিলেটের পুণ্যভূমি হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরান (র.)-এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় তাঁদের তিন দিনব্যাপী এই আনন্দ ভ্রমণের। পরদিন সকালে সাংবাদিকেরা ছুটে যান প্রকৃতির অপার বিস্ময় ভোলাগঞ্জের সাদা পাথরে। সেখানকার হিমশীতল পানি আর পাথুরে সৌন্দর্য তাঁদের সব ক্লান্তি ধুয়েমুছে দেয়। এরপর যাত্রাবিরতি নয়, একের পর এক ঘুরে দেখেন প্রকৃতির নানা রূপ—সুনামগঞ্জের নীল জলের টাঙ্গুয়ার হাওর, মেঘালয়ের কোলঘেঁষা দৃষ্টিনন্দন নিলাদ্রি লেক এবং পাহাড়ি ঝরনার লাকমাছাড়া। ভ্রমণের শেষভাগে ‘চায়ের দেশ’ শ্রীমঙ্গলের রূপসী চা-বাগানের সবুজ গালিচায় যেন হারিয়ে যান তাঁরা। সাংবাদিকেরা তাঁদের আবেগ অনুভূতি
প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, প্রতিদিন সংবাদের পেছনে ছুটে চলা আমাদের এই জীবনে এ যেন এক টুকরো বিশুদ্ধ বাতাস। এই তিন দিন আমরা পেশাগত চাপ ভুলে আবার শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম। প্রকৃতির এত কাছাকাছি এসে নিজেদের আবার নতুন করে রিচার্জ করে নিলাম। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই আনন্দ ভ্রমণে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল আলীম খান এবং সার্বিক পরিচালনা ও সমন্বয় করেন সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল নয়ন। প্রকৃতি ও বন্ধুত্বের এই বন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সৌরভ মাহমুদ হারুন ও মো. ইউনুস মিয়া, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক অপু খান চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন ও রেজাউল হক শাকিল, প্রচার সম্পাদক গাজী মোস্তফা কামাল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আতিকুর ইসলাম রাজু এবং সদস্য দেলোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে।
আনন্দ ভ্রমণ শেষে আবার নিজ কর্মস্থলে ফেরা, তবে সঙ্গে নিয়ে আসা সিলেট-সুনামগঞ্জের পাহাড়, জল আর সবুজের সেই অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো যা ব্রাহ্মণপাড়ার এই কলম সৈনিকদের পেশাগত জীবনের আগামী দিনগুলোতে প্রেরণা হয়ে থাকবে।