কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ১৬ লাখ টাকায় কর্মচারী নিয়োগের অ'ভি'যো'গ, আ'ত্ম'গো'প'নে মাদ্রাসা সুপার

আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৬:১৬:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ০৬:১৮:৫৮ অপরাহ্ন
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-


কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলায় একটি দাখিল মাদ্রাসায় ১৬ লাখ টাকার বিনিময়ে গোপনে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুপারিনটেনডেন্ট ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে। নিয়োগে জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া রেজুলেশন তৈরির অভিযোগও করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবক সদস্যদের একাংশ।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নায়কেরহাট দারুস সুন্নাত দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার। অভিযোগের পর থেকে সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকী মাদ্রাসায় নিয়মিত আসছেন না বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। মাদ্রাসার শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকী ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে গোপনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাওয়া নুরুন্নবীর বাবা আব্দুল জলিলের কাছ থেকে এ জন্য ১৬ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।


শিক্ষক-কর্মচারী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের ভাষ্য, গত ৬ অক্টোবর নিয়োগের বিষয়টি জানাজানি হলে মাদ্রাসায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই দিন সুপারিনটেনডেন্টকে মাদ্রাসার কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে সেখান থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর নিয়মিত মাদ্রাসায় আসছেন না। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁর বাড়িতেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবক সদস্যদের একাংশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নিয়োগসংক্রান্ত রেজুলেশনে তিনজন শিক্ষক প্রতিনিধি ও তিনজন অভিভাবক সদস্যের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এ ছাড়া সুপারিনটেনডেন্ট যোগদানের পর থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে আরও প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, “কোনো নিয়মনীতি না মেনে এবং আমাদের স্বাক্ষর জাল করে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”


অন্যদিকে, মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেনের দাবি, নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগকারীরা নিয়োগপ্রক্রিয়া তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]