জবি প্রতিনিধি
, জবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাতিল হওয়া নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিবাদে এবং চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান প্রশ্নফাঁসের মাস্টার প্ল্যান;প্রশ্নফাঁস না মেধা,মেধা মেধা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। এসময় জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন,২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্তির পর ভেবেছিলাম আর প্রশ্ন ফাঁস বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে হবে না। কিন্তু বর্তমান সরকার সাত মাস পেরোনোর আগেই দেশে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং একের পর এক শিক্ষার্থী-বিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,২০০১-২০০৫ সালের মতো দলকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করার পুরনো পথে আবারো হাঁটা হচ্ছে; জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। চরম অব্যবস্থাপনার কারণে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তা স্থগিতের ঘোষণা ন্যাক্কারজনক ও লজ্জাজনক। জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন,ক্যাম্পাসগুলোতে বছরের পর বছর ধরে অবৈধ দখলদারিত্ব ও গুন্ডামি চলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী শিক্ষককে শাস্তি না দিয়ে উল্টো পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। চাকরির নিয়োগে জালিয়াতি, ভাইবায় পক্ষপাতিত্ব, ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি এবং সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অযোগ্যদের সুযোগ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,মেধাবীদের মুখ অতীতেও বন্ধ রাখা যায়নি, এখনও যাবে না। যদি সরকার এসব চক্রান্ত বন্ধ না করে এবং সোজা পথে না হাঁটে, তবে জুলাই বিপ্লবের মতো শিক্ষার্থীরা আবারো বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।"
, জবিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাতিল হওয়া নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিবাদে এবং চাকরিপ্রার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।এসময় প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান প্রশ্নফাঁসের মাস্টার প্ল্যান;প্রশ্নফাঁস না মেধা,মেধা মেধা সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। এসময় জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন,২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্তির পর ভেবেছিলাম আর প্রশ্ন ফাঁস বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে হবে না। কিন্তু বর্তমান সরকার সাত মাস পেরোনোর আগেই দেশে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং একের পর এক শিক্ষার্থী-বিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,২০০১-২০০৫ সালের মতো দলকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করার পুরনো পথে আবারো হাঁটা হচ্ছে; জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। চরম অব্যবস্থাপনার কারণে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তা স্থগিতের ঘোষণা ন্যাক্কারজনক ও লজ্জাজনক। জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন,ক্যাম্পাসগুলোতে বছরের পর বছর ধরে অবৈধ দখলদারিত্ব ও গুন্ডামি চলছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী শিক্ষককে শাস্তি না দিয়ে উল্টো পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। চাকরির নিয়োগে জালিয়াতি, ভাইবায় পক্ষপাতিত্ব, ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি এবং সম্প্রতি প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে অযোগ্যদের সুযোগ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,মেধাবীদের মুখ অতীতেও বন্ধ রাখা যায়নি, এখনও যাবে না। যদি সরকার এসব চক্রান্ত বন্ধ না করে এবং সোজা পথে না হাঁটে, তবে জুলাই বিপ্লবের মতো শিক্ষার্থীরা আবারো বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।"