নিজস্ব প্রতিবেদক
সাহিতপুরে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অভিযান; বিল নার্সারিতে পোনামাছ অবমুক্ত স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ১০০ মিটার চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টায় সান্দিকোণা ইউনিয়নের ডাউকি এলাকায় অবস্থিত মোড়াই বিলে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত
অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খাদিজা খাতুনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে জব্দ করা অবৈধ জাল তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযান শেষে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী এ ধরনের জালের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে। জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন বলেন, চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের মতো ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের পোনা ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকিস্বরূপ। দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের
পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় বিল নার্সারিতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সাহিতপুরে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অভিযান; বিল নার্সারিতে পোনামাছ অবমুক্ত স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ১০০ মিটার চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টায় সান্দিকোণা ইউনিয়নের ডাউকি এলাকায় অবস্থিত মোড়াই বিলে এ অভিযান পরিচালিত হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত
অভিযানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খাদিজা খাতুনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে জব্দ করা অবৈধ জাল তাৎক্ষণিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযান শেষে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী এ ধরনের জালের বিরুদ্ধে আইনানুগ অভিযান অব্যাহত থাকবে। জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন বলেন, চায়না দুয়ারি ও কারেন্ট জালের মতো ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের পোনা ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকিস্বরূপ। দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের
পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় বিল নার্সারিতে পোনামাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।