নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচিত হলে সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষ সদস্য, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, সরকারি বরাদ্দের একটি পয়সাও তছরুপ করতে দেওয়া হবে না এবং কোনো বরাদ্দে দলীয়করণ করা হবে না। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষ সরকারি সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে পাবে। অতীতে যারা এমপি হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে সরকারি বরাদ্দ দলীয় বিবেচনায় বন্টন হয়েছে। কিন্তু ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে জনগণের বিজয় হবে। সকল মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় রহিমানপুর ইউনিয়নের ডেবাডাঙ্গী এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা ব্যতিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে না। তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজের নেতৃত্বে জন্য প্রয়োজন সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও আদর্শিক মানবিক নেতৃত্ব। তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিভিন্ন দলের নেতাদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হলেও জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ নির্যাতিত হয়েছে, জুলুমের শিকার হয়েছে।
শোষণের হাত থেকে মুক্তি পেতে আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে স্থানীয়দের আহ্বান জানিয়ে দেওয়ার হোসেন বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের নেতৃত্বে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা আসবে না। তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ লালন-পালন করে, মাদক ও অস্ত্রের রাজনীতি করে তাদের নেতৃত্বে জনগণ বারবার শোষিত হয়েছে। আগামীতে শোষণের হাত থেকে মুক্তির জন্য ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ঠাকুরগাঁও গড়তে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারি নাই। জামায়াতে ইসলামী দলীয়করণে বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান সুযোগ সুবিধা পাবে। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী বিভাজনের সুযোগ ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা আল্লাহকে ভয় করে, তারা দুর্নীতি, অনিয়ম, অন্যায় করবে না, করতে দেবে না। নিজে নির্বাচিত হলে দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবেন বলে তিনি ঠাকুরগাঁও বাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন।
রহিমানপুর ইউনিয়ন আমীর মোহাম্মদ আবু হানিফের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ ওমর ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিন আহাম্মদ। এসময় জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শাহজালাল জুয়েলসহ স্থানীয় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচিত হলে সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষ সদস্য, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, সরকারি বরাদ্দের একটি পয়সাও তছরুপ করতে দেওয়া হবে না এবং কোনো বরাদ্দে দলীয়করণ করা হবে না। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষ সরকারি সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে পাবে। অতীতে যারা এমপি হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে সরকারি বরাদ্দ দলীয় বিবেচনায় বন্টন হয়েছে। কিন্তু ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে জনগণের বিজয় হবে। সকল মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় রহিমানপুর ইউনিয়নের ডেবাডাঙ্গী এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা ব্যতিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে না। তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজের নেতৃত্বে জন্য প্রয়োজন সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও আদর্শিক মানবিক নেতৃত্ব। তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিভিন্ন দলের নেতাদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা হলেও জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ নির্যাতিত হয়েছে, জুলুমের শিকার হয়েছে।
শোষণের হাত থেকে মুক্তি পেতে আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে স্থানীয়দের আহ্বান জানিয়ে দেওয়ার হোসেন বলেন, সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের নেতৃত্বে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা আসবে না। তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ লালন-পালন করে, মাদক ও অস্ত্রের রাজনীতি করে তাদের নেতৃত্বে জনগণ বারবার শোষিত হয়েছে। আগামীতে শোষণের হাত থেকে মুক্তির জন্য ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ঠাকুরগাঁও গড়তে তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারি নাই। জামায়াতে ইসলামী দলীয়করণে বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান সুযোগ সুবিধা পাবে। দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী বিভাজনের সুযোগ ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা আল্লাহকে ভয় করে, তারা দুর্নীতি, অনিয়ম, অন্যায় করবে না, করতে দেবে না। নিজে নির্বাচিত হলে দলমত, ধর্মবর্ণ, জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবেন বলে তিনি ঠাকুরগাঁও বাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন।
রহিমানপুর ইউনিয়ন আমীর মোহাম্মদ আবু হানিফের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ ওমর ফারুকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিন আহাম্মদ। এসময় জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শাহজালাল জুয়েলসহ স্থানীয় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।